০২:২৯ পি.এম
কুমিল্লার দেবীদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন (৫০) নামের এক বাড়ির মালিককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এই হত্যার পর ঘাতকরা মরদেহটিকে ৯ টুকরা করে পলিথিনে মুড়ে বাসার পেছনে ফেলে রাখে।
শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামে ঘটে এই নির্মম ঘটনাটি। এ ঘটনায় বাড়ির ভাড়াটিয়া লাইলী আক্তারকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় বিক্ষুব্ধ জনগণ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুরে ফরিদা ইয়াসমিন তার স্বামী ও সন্তানদের সাথে প্রায় ৩০ বছর ধরে বসবাস করছিলেন। তার স্বামী মফিজুল ইসলাম জাহাজে চাকরি করেন এবং দুই মেয়ে রাবেয়া বসরী ও মরিয়ম আক্তারের বিয়ে হয়ে যাওয়ার কারণে ফরিদা বাড়িতে একাই থাকতেন। বাড়ির একটি ঘর ভাড়া দেওয়া ছিল লাইলী আক্তারের কাছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
শনিবার সকালে ছোট মেয়ে মরিয়ম আক্তার বাবার বাড়িতে আসলে মাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সন্ধ্যায় ফরিদা ইয়াসমিনের বোনের ছেলে মামুন বাড়ির পেছনে পলিথিনের কয়েকটি প্যাকেটে খণ্ডিত মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেন।
রাত সাড়ে সাতটার সময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ফরিদার টুকরো করা মরদেহের প্যাকেট উদ্ধার করে এবং লাইলী আক্তারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। উল্লেখ্য, লাইলী আক্তার দেবিদ্বার পৌর এলাকার চাঁপানাঘর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, পলিথিনে মোড়ানো ফরিদা ইয়াসমিনের খণ্ডিত মরদেহের ৯টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে, তবে পা ও মাথা এখনও উদ্ধার হয়নি।
আটক লাইলীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি আরও চারজনের নাম উল্লেখ করেছেন এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে প্রচেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন