শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৬ পি.এম
রাজধানীর মিরপুরে স্বল্পমূল্যে ও বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলেও পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি। ঘটনার পর ক্লিনিকটির আশপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা থেকে রাত ২টার মধ্যে মিরপুর-১ নম্বরে অবস্থিত ক্লিনিকটিতে হামলার ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরদিন শুক্রবার, প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার শাহ আলী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে একজনের নাম উল্লেখ করে ২০০ থেকে ২৫০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে মামলা করা হয়।
শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম মামলার বিষয়টি ও তদন্তের অগ্রগতি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ঘটনার রাতে ২০০ থেকে ২৫০ জন ব্যক্তি মুখ লুকিয়ে ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’-এর ব্যানারে ক্লিনিকটিতে প্রবেশ করে। তারা নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে ক্লিনিকের একটি পাকা ও তিনটি সেমি-পাকা ভবনসহ পুরো স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়। পরে ধ্বংসস্তূপের ওপর সমমনা দোকানদার সমিতির সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়।
ডা. নাসরিন আখতারের অভিযোগ, এই ভাঙচুরের পাশাপাশি ক্লিনিক থেকে বিপুল পরিমাণ ওষুধ, ভ্যাকসিন, নগদ টাকা এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম লুট করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫ লাখ টাকার ওষুধ ও ভ্যাকসিন, আনুমানিক ১১ লাখ ৪০ হাজার টাকা নগদ, প্রায় ৪৫ লাখ টাকা মূল্যের আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন, জেনারেটর, তিনটি ফ্রিজ, তিনটি এসি, সিসিটিভি ক্যামেরা, স্টিলের আলমারি, ফাইল কেবিনেট, ল্যাবরেটরির যন্ত্রপাতি ও রিএজেন্ট, টিভি, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টারসহ বিভিন্ন সামগ্রী রয়েছে। সব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি টাকা বলে দাবি করেছে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ।
রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি অলাভজনক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান। ক্লিনিকটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার পরিকল্পনা এবং সরকারি ইপিআই টিকাদান কর্মসূচির সেবা প্রদান করে আসছিল। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর ধরে এখান থেকে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে।
ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, জমি নিয়ে কোনো বিরোধ বা উচ্ছেদের বিষয়ে তারা আগে থেকে পুলিশ কিংবা কোনো সরকারি দপ্তরের কাছ থেকে কোনো নোটিশ পায়নি। তাদের দাবি, গভীর রাতে হঠাৎ করে ট্রাক ও ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে এসে স্থাপনাটি উচ্ছেদ ও ভাঙচুর করা হয়।
তবে জমিটির মালিকানা নিয়ে ভিন্ন দাবি করেছে সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড। সমিতির দাবি, ২০০৬ সালে জমিটি তাদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং ২০২১ সালে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ (এনএইচএ) থেকে জমিটি তাদের নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়।
সমিতির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, ক্লিনিকটি উচ্ছেদের জন্য জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ থেকে চিঠিও দেওয়া হয়েছিল। তবে তৎকালীন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও কমিশনার কাসেম মোল্লাসহ অন্যান্য নেতাদের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে এতদিন জমিটি উদ্ধার বা উচ্ছেদ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জমিটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল এবং বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও সমিতির সদস্যরা জমিটি ভোগ করতে পারছিলেন না বলেও দাবি করা হয়েছে।
এদিকে, হামলা ও ভাঙচুরের সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেছে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতির পরও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কেন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
ঘটনায় মো. হানিফ মিয়া (৫০) নামে একজনের নাম উল্লেখ করে ২০০ থেকে ২৫০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাহ আলী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে তদন্তের মাধ্যমে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের সঙ্গে কারা জড়িত ছিল এবং জমির মালিকানা ও উচ্ছেদের দাবির পক্ষে কী ধরনের বৈধ নথি রয়েছে, সেসব বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর হাতিয়াসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের জালে ধরা পড়েছে একটি রুপালি ইলিশ, যার ওজন ৩ কেজি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটের এনায়েত মৎস্য আড়তে মাছটি নিলামে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. বেলাল হোসেন মাছটি ক্রয় করেন।
হাতিয়ার হরণী ইউনিয়নের জেলে মো. মিলন হোসেন জানান, তিনি ‘মায়ের দোয়া’ নামের একটি ট্রলার নিয়ে ৯ জন মাঝিমাল্লাসহ বঙ্গোপসাগরে ইলিশ শিকারে যান। টানা ছয় দিন সাগরে মাছ ধরার পর অন্যান্য ইলিশের সঙ্গে তাদের জালে ধরা পড়ে এই বড় আকারের ইলিশটি।
আজ সকালে মাছটি চেয়ারম্যান ঘাটে নিয়ে আসার পর এনায়েত মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হয়। এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মাছটি কেনার জন্য দর হাঁকাতে শুরু করেন। একপর্যায়ে ১০ হাজার টাকায় মাছটি ক্রয় করেন ব্যবসায়ী মো. বেলাল হোসেন।
এনায়েত মৎস্য আড়তের মালিক এনায়েত হোসেন বলেন, সকালে জেলেরা মাছটি ঘাটে নিয়ে আসেন। এত বড় একটি ইলিশ দেখে আড়তে আসা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। নিলামে মাছটির দাম ১০ হাজার টাকা ওঠে এবং পরে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী সেটি কিনে নেন।
জেলে মো. মিলন হোসেন এ বিষয়ে বলেন, আমরা ৯ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে ছয় দিনের জন্য সাগরে মাছ ধরতে যাই। অন্যান্য ইলিশের সঙ্গে জালে বড় এই মাছটি ধরা পড়ে। এত বড় ইলিশ পাওয়ায় আমরা সবাই আনন্দিত। ভালো দাম পাওয়ায় আমাদেরও ভালো লাগছে।
হাতিয়া মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. শাহেদ হোসেন জানান, সাগরে জেলেদের জালে মাঝে মাঝে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়ে। তবে ৩ কেজি ওজনের ইলিশ সব সময় পাওয়া যায় না। বড় ইলিশের চাহিদাও বেশি। এ কারণে নিলামে মাছটির ভালো দাম উঠেছে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ। সাগরে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়া স্বাভাবিক। তবে ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে সরকার নির্ধারিত সময়ে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা এবং জাটকা সংরক্ষণ করা জরুরি। জেলেদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবাইকে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সচেতন হতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় অভিনেত্রী বর্ষিণী ভেঙ্কটকে পুলিশ চাঁদাবাজি ও এক ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ রয়েছে, একটি শর্টফিল্মে বিনিয়োগ করতে না চাওয়ার কারণে ওই ব্যবসায়ীকে মারধর করে তার কাছ থেকে নগদ ও ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার রুপি আদায় করা হয়। পুলিশ বর্ষিণীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থের লেনদেনের প্রমাণও পেয়েছে।
হিন্দুস্তান টাইমসের বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৮ বছর বয়সী বর্ষিণী ভেঙ্কট ও তার কয়েকজন বন্ধু তরুণ নামের এক ব্যবসায়ীকে তাদের প্রস্তাবিত শর্টফিল্মে অর্থ বিনিয়োগের জন্য প্রস্তাব দেন। কিন্তু ওই ব্যবসায়ী এতে রাজি হননি।
অভিযোগ রয়েছে, গত ২২ আগস্ট ভোরে তরুণ যখন বাইরে থেকে তার কক্ষে ফিরে আসেন, তখন বর্ষিণী, তার বন্ধু সঞ্জয় এবং আরও দুজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারা তরুণকে মারধর করেন এবং জোরপূর্বক ৫০ হাজার রুপি নগদ নিয়ে নেন। এরপর সঞ্জয়ের কাছ থেকে ফোন পেয়ে তরুণ বর্ষিণীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩ লাখ রুপি এবং সঞ্জয়ের অ্যাকাউন্টে আরও ২ লাখ রুপি পাঠান। মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার রুপি দেওয়ার পরও তাকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তার কাছে আরও ২৭ লাখ রুপি দাবি করা হয়।
ঘটনার পর তরুণ থানায় অভিযোগ দায়ের করলে গুইন্ডি থানার পুলিশ মামলা নিয়ে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের অংশ হিসেবে ব্যাংক লেনদেন যাচাই করে পুলিশ। এতে তরুণের অ্যাকাউন্ট থেকে বর্ষিণীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩ লাখ রুপি স্থানান্তরের তথ্য পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরবর্তীতে গত ২২ সেপ্টেম্বর মাইলাপুরের বাসিন্দা বর্ষিণী ভেঙ্কটকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আইফোনও জব্দ করা হয়েছে।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অভিনেত্রীকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠান। এ ঘটনায় জড়িত অন্য সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবার মাঠে নামার আগে বিশেষ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। আগামী ৬ অক্টোবর বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত বিদায়ী ম্যাচে মেসি পরবেন একটি বিশেষ স্মারক জার্সি, যা আকাশি-সাদার সঙ্গে সোনালি ছোঁয়া যুক্ত।
মেসি নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন জার্সিটির প্রথম ঝলক প্রকাশ করেছেন। পুরোনো জার্সির জায়গায় নতুন জার্সি তুলে রাখার একটি ভিডিওর সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘শেষ ম্যাচ। আজীবনের জন্য একটি জার্সি।’ এরপর অ্যাডিডাস জার্সিটির বিস্তারিত নকশা প্রকাশ করেছে।
বিদায়ী জার্সিতে চিরচেনা আকাশি ও সাদা রঙের পাশাপাশি সোনালি আবহ রাখা হয়েছে। কলার ও হাতায় সোনালি নকশা রয়েছে। পেছনে সোনালি অক্ষরে মেসির নাম এবং বিখ্যাত ১০ নম্বর লেখা থাকবে।
জার্সিটির অন্যতম আকর্ষণ হলো ‘সান অব মে’, যা আর্জেন্টিনার জাতীয় পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। মেসির নাম ও ১০ নম্বরকে ঘিরে সূর্যের রশ্মির নকশা রাখা হয়েছে। ফলে এই জার্সিটি শুধুমাত্র ম্যাচের পোশাক নয়, বরং মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের স্মারক হিসেবেও তুলে ধরা হয়েছে।
জাতীয় দলকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্তের পর মেসির শেষ ম্যাচকে ঘিরে বিশেষ আয়োজনের উদ্যোগ নেয় আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। বিদায়ী ম্যাচের প্রতিপক্ষ হিসেবে বেনিনকে নির্বাচন করা হয়েছে।
মেসিকে শেষবার আর্জেন্টিনার জার্সিতে দেখতে সমর্থকদের আগ্রহের চিত্র টিকিট বিক্রিতে স্পষ্ট হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর টিকিট বিক্রি শুরুর দুই ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামের সব টিকিট শেষ হয়ে যায় বলে জানিয়েছে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম। প্রায় ৮৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামে মেসির বিদায়ী রাতটি দর্শকে পরিপূর্ণ হতে যাচ্ছে।
২০০৫ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক ঘটে মেসির। এরপর দুই দশকেরও বেশি সময় কেটে গেছে। এই সময়ে তিনি জাতীয় দলের হয়ে কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা ও বিশ্বকাপের মতো বড় শিরোপা জিতেছেন।
২০২১ সালে কোপা আমেরিকা দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথম বড় আন্তর্জাতিক শিরোপার স্বাদ পান মেসি। পরের বছর তিনি জেতেন ফিনালিসিমা ও বিশ্বকাপ। ২০২৪ সালে আবারও কোপা আমেরিকার ট্রফি তার হাতে উঠবে।
আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির মোট ২০৭ ম্যাচে গোল ১২৫টি। শেষ ম্যাচে সেই সংখ্যাকে আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ তার সামনে রয়েছে। তবে গোল হোক বা না হোক, ৬ অক্টোবরের রাতটি আর্জেন্টাইন ফুটবলের ইতিহাসে বিশেষ হয়ে থাকবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর গুলিস্তানের জিপিও মোড়ে অবস্থিত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয় থেকে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করেছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার সময় তাদের আটক করা হয়।
পুলিশের দাবি, আটককৃতরা জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক করছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ