১১:২৪ পি.এম
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ দেশের বিপুল পরিমাণে নজরদারি জোরদার করতে এবং অভিযানে গতি আনতে প্রতিটি রাজ্যে ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই ড্রোন ইউনিটগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে প্রতিটি রাজ্যের প্রয়োগকারী বিভাগে দক্ষ ড্রোন অপারেটর প্রস্তুত রাখার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।
২০২১ সালে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারির উদ্দেশ্যে কয়েকটি ছোট ড্রোন কেনার মাধ্যমে এই প্রযুক্তির ব্যবহারের শুরু ঘটে। ২০২৪ সালে ক্রমবর্ধমান অভিযানিক প্রয়োজন মেটাতে আরও ড্রোন যুক্ত করে এর সক্ষমতা বাড়ানো হবে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
বর্তমানে, এই ড্রোনগুলো দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান ও তল্লাশিতে গুরুত্বপূর্ণ ‘ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার’ হিসেবে কাজ করছে। কর্মকর্তারা এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযানের সময় আকাশ থেকে নজরদারি চালানোর পাশাপাশি দুর্গম এলাকার তথ্য সংগ্রহ এবং অভিবাসন ডিপো থেকে পালিয়ে যাওয়া আসামিসহ যেকোনো পলাতক সন্দেহভাজনদের অবস্থান সহজে শনাক্ত করছে।
এটি আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের শারীরিক ঝুঁকির আশঙ্কা কমানোর পাশাপাশি অভিযানগুলোর সার্বিক কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি করেছে।
ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে এই ড্রোনগুলোর সক্ষমতা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে এর লক্ষ্যবস্তু এলাকার ম্যাপ তৈরিসহ আরও উন্নত কাজ করতে সক্ষম হবে।
প্রযুক্তিগত এই সুবিধার ফলস্বরূপ, বর্তমানে যেকোনো অভিযানে অপরাধী আটকের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং প্রয়োজন পড়লে সামনে ড্রোন ও প্রশিক্ষিত পাইলটের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন