ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে ড্রোন ইউনিট তৈরি করছে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ


অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে ড্রোন ইউনিট তৈরি করছে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ দেশের বিপুল পরিমাণে নজরদারি জোরদার করতে এবং অভিযানে গতি আনতে প্রতিটি রাজ্যে ড্রোন ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই ড্রোন ইউনিটগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে প্রতিটি রাজ্যের প্রয়োগকারী বিভাগে দক্ষ ড্রোন অপারেটর প্রস্তুত রাখার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।

২০২১ সালে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারির উদ্দেশ্যে কয়েকটি ছোট ড্রোন কেনার মাধ্যমে এই প্রযুক্তির ব্যবহারের শুরু ঘটে। ২০২৪ সালে ক্রমবর্ধমান অভিযানিক প্রয়োজন মেটাতে আরও ড্রোন যুক্ত করে এর সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বর্তমানে, এই ড্রোনগুলো দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান ও তল্লাশিতে গুরুত্বপূর্ণ ‘ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার’ হিসেবে কাজ করছে। কর্মকর্তারা এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযানের সময় আকাশ থেকে নজরদারি চালানোর পাশাপাশি দুর্গম এলাকার তথ্য সংগ্রহ এবং অভিবাসন ডিপো থেকে পালিয়ে যাওয়া আসামিসহ যেকোনো পলাতক সন্দেহভাজনদের অবস্থান সহজে শনাক্ত করছে।

এটি আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের শারীরিক ঝুঁকির আশঙ্কা কমানোর পাশাপাশি অভিযানগুলোর সার্বিক কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি করেছে।

ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে এই ড্রোনগুলোর সক্ষমতা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে এর লক্ষ্যবস্তু এলাকার ম্যাপ তৈরিসহ আরও উন্নত কাজ করতে সক্ষম হবে।

প্রযুক্তিগত এই সুবিধার ফলস্বরূপ, বর্তমানে যেকোনো অভিযানে অপরাধী আটকের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং প্রয়োজন পড়লে সামনে ড্রোন ও প্রশিক্ষিত পাইলটের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ বছরে ছয়বার গ্রেপ্তার, তবুও থামেনি মাদক কারবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৭ পি.এম


১০ বছরে ছয়বার গ্রেপ্তার, তবুও থামেনি মাদক কারবার

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থেকে ২০১৬ সালের ১৮ মে মো. রবিন নামের এক যুবককে ৫১ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় কামরাঙ্গীরচর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা হয়ন। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান কামরাঙ্গীরচর থানার তৎকালীন এসআই হিমায়েত হোসেন। এক মাসের মধ্যে মামলার তদন্ত কার্যক্রম শেষে ১৮ জুন রবিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এরপর শুরু হয় বিচার প্রক্রিয়া। তবে গত ১০ বছরে মাদক ও অন্যান্য অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছয়বার গ্রেপ্তার হলেও পাল্টাননি রবিন। 

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য-প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করতে পারেনি। অভিযোগপত্রে ১০ জন সাক্ষী করা হলেও কেবল বাদী একা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ বাকি ৯ জনই সাক্ষ্য দিতে আদালতে যাননি। এ কারণে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়। এ অবস্থায় গত ৬ মে প্রমাণের অভাবে রবিনকে খালাস দেন ঢাকার একটি আদালত।

রায় ঘোষণার পর রবিন সম্পর্কে তথ্য খুঁজেছে সমকাল। রবিন পেশাদার মাদক বিক্রেতা। কামরাঙ্গীরচর এলাকায় ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করেন। তিনি নিজেও মাদক সেবন করেন। একাধিকবার মাদকসহ গ্রেপ্তার হলেও ওই পথ থেকে ফেরেননি তিনি। ২০১৬ সালের ১৮ মে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়ার কিছুদিন পর রবিন জামিনে বের হয়ে ফের একই পথে হাঁটেন। আদালতে যখন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাঁর বিচার চলমান তখনও তিনি মাদক কেনাবেচা করেন এবং ওই মামলায় খালাস হওয়ার আগে মাদকসহ আরও তিনবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যান। এ ছাড়া ২০২৪ সালের ১০ মে ও ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই মারামারিসহ বিভিন্ন মামলায় আরও দুবার গ্রেপ্তারের পর কারাভোগ করতে হয় তাঁকে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রবিনের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার আটিপাড়া এলাকায়। তবে দীর্ঘদিন তিনি কামরাঙ্গীরচর এলাকায় বাস করেন। তবে যতবার গ্রেপ্তার হয়েছেন, ততবারই জামিনে বেরিয়ে বাসা বদল করেছেন। এক মহল্লা থেকে আরেক মহল্লায় বাসা ভাড়া নিয়ে মাদক কারবার করেন। ২০১৬ সালে যখন ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন, তখন তার বাসা ছিল কামরাঙ্গীরচরেরর চাঁন মসজিদ রোডে। জামিনে বেরিয়ে সেই বাসা ছেড়ে একই থানার খলিফাঘাট এলাকায় বসবাস শুরু করেন। পরে একাধিকবার বাসা বদল করেন তিনি। 

কামরাঙ্গীরচর থানা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর আবার পুলিশের গ্রেপ্তার হন রবিন। এদিন রাত সাড়ে ১১টায় কামরাঙ্গীরচর মুনসুরবাগ এলাকায় রবিন এবং তাঁর সহযোগী মাকসুদুর রহমান ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাদের আটক করে তল্লাশি করে। এ সময় রবিনের কাছ থেকে একশ গ্রাম গাঁজা ও মাকসুদুরের কাছে ১৫ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় রবিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা হয় কামরাঙ্গীরচর থানায়। ওই মামলায় কারাগারে যান তারা। জামিনে মুক্ত হয়ে রবিন আবার মাদক কেনাবেচা শুরু করেন। 

দেড় বছরের ব্যবধানে ফের মাদকসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যেতে হয় তাঁকে। ২০২২ সালের ১২ এপ্রিল কামরাঙ্গীরচরের রনি মার্কেট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এবারও বেশিদিন কারাভোগ করতে হয়নি। জামিনে বেরিয়ে আসেন। একই পথে পা বাড়ান তিনি। ২০২৩ সালের ২৫ জানুয়ারিতে আবার গ্রেপ্তার হন। এদিন কামরাঙ্গীরচরের কুড়ারঘাট এলাকা থেকে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ পুলিশ গ্রেপ্তার করে তাকে। এই মামলায় কারাগারে যান তিনি।
কামরাঙ্গীরচর থানার দায়িত্বরত একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, প্রতিটি মাদক মামলা তদন্ত শেষে রবিনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।

গত ৬ মে যে মামলায় রবিন খালাস পেয়েছেন, সেই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে সমকাল। তদন্তকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেও কেন সাক্ষ্য দেননি তা জানতে চাওয়া হয় এসআই হিমায়েত হোসেনের কাছে। তিনি বলেন, কামরাঙ্গীরচর থানা থেকে তিনি কদমতলী থানায় বদলি হন, এরপর সিলেটে। বর্তমানে শরীয়তপুর জেলায় কর্মরত। তিনি বলেন, অনেক মামলায় তো সাক্ষ্য দিয়েছি। রবিনের বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষ্য দিয়েছি কিনা মনে নেই। 

তাঁকে জানানো হয়, আদালতের নথি অনুযায়ী এই মামলায় সাক্ষ্য দেননি। জবাবে বলেন, নথি ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না।

কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি গোলাম ফারুক বলেন, রবিন চিহ্নিত মাদক কারবারি। একাধিকবার মাদকসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গেছে। প্রতিবারই জামিনে মুক্ত হয়ে আবার একই কাজ করে রবিন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার দিনের ভোগান্তি শেষে জাপান গার্ডেন সিটিতে বিদ্যুৎ ফিরল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩০ পি.এম


চার দিনের ভোগান্তি শেষে জাপান গার্ডেন সিটিতে বিদ্যুৎ ফিরল

রাজধানীর জাপান গার্ডেন সিটিতে বিদ্যুৎ না থাকায় গত চার দিন ধরে কয়েক হাজার বাসিন্দা চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন। গত বৃহস্পতিবার রাতের পর বেশির ভাগ ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে গেলেও শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সাতটি ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হয়নি। এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এসব ভবনের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ সংযোগে কারিগরি ত্রুটির কারণে।

বিদ্যুৎ না থাকার কারণে এসব ভবনে পানির সরবরাহও ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে রান্না, গোসল ও অন্যান্য দৈনন্দিন কাজকর্মে বাসিন্দাদের জন্য ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি।

এ বিষয়ে বাসিন্দা মাহবুব হোসেন বলেন, চার দিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকার কারণে শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, বাণিজ্যিক হারে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেও এমন ভোগান্তি মেনে নেওয়া খুবই কঠিন।

অন্যদিকে আরেক বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের ফ্রিজের অনেক খাবার নষ্ট হয়ে গেছে।

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) জানায়, জাপান গার্ডেন সিটির নিজস্ব ৩৩ কেভি উপকেন্দ্রের একটি ট্রান্সফরমারে ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। এর ফলে মঙ্গলবার গভীর রাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ডিপিডিসির উদ্যোগে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে উপকেন্দ্রটি সচল করা সম্ভব হয়েছে। তবে সাতটি বাড়ির অভ্যন্তরীণ সংযোগে পৃথক ত্রুটি থাকার কারণে সেগুলোর বিদ্যুৎ সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টিপাত বাড়ার পূর্বাভাস, দেশের ১৭ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ পি.এম


বৃষ্টিপাত বাড়ার পূর্বাভাস, দেশের ১৭ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা

বঙ্গোপসাগরে তৈরি লঘুচাপের প্রভাবে দেশজুড়ে চলমান আছে আষাঢ়ের বৃষ্টি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বাধিক ২১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে।

এই পরিস্থিতিতে, শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতের মধ্যে দেশের ১৭ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বাধিক ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে, এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেছেন, শুক্রবার রাত ১টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি সহ অস্থায়ী দমকা কিংবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।

এদিকে, লঘুচাপের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা বজায় থাকতে পারে। আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, উত্তর-পশ্চিম মধ্য প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকার সুস্পষ্ট লঘুচাপটি বর্তমানে দুর্বল হয়ে মধ্য উত্তর প্রদেশ এলাকায় লঘুচাপ হিসেবে অবস্থান করছে এবং এটি আরও দুর্বল হতে পারে। তবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্য এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণে বাংলাদেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের অনুকূল পরিস্থিতি বিদ্যমান।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার থেকে সোমবার (১১–১৩ জুলাই) পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সময়ে দেশের কিছু জায়গায় মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

মঙ্গলাবার (১৪ জুলাই) রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিনও কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার (১৫ জুলাই) খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস ঘোষণা করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে। এদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ২১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে। টেকনাফে ২০৯ মিলিমিটার, সাতক্ষীরায় ১৭৯, গোপালগঞ্জে ১৬৩, চট্টগ্রামের আমবাগানে ১৫৩, সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ১৩৮, বান্দরবানে ১৩১, টাঙ্গাইলে ১২৪, কক্সবাজারে ৯৯, বরিশালে ৯৪ এবং রাঙামাটিতে ৯২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের শেষে দেশের বৃষ্টিপাতের প্রবণতা ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বিধিনিষেধ পালনের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ পি.এম


শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বিধিনিষেধ পালনের আহ্বান

 দেশের সকল গণমাধ্যম, যার মধ্যে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলো অন্তর্ভুক্ত, তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানানো যাচ্ছে যে, গত ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক অপরাধীর কোনো ধরনের বক্তব্য, সাক্ষাৎকার, অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ব্যাপারে আইনগত নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এমতাবস্থায়, দেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার কোনো প্রকার ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য সরাসরি কিংবা ধারণকৃত অবস্থায় কোনো গণমাধ্যমে (টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক মাধ্যম) প্রচার বা প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

দেশের সকল গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকবৃন্দ প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন বলে সরকার প্রত্যাশা করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%