প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সোমবার নিউইয়র্কের পর্যটকসমৃদ্ধ টাইমস স্কয়ারে এক নারীর ছুরিকাঘাতে একজন নিহত এবং অপর একজন আহত হওয়ার পর পুলিশের গুলিতে ওই নারী মারা যান।
নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, আহত দ্বিতীয় ব্যক্তি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল।
এএফপি সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ জানায়, হামলাকারী ৪৯ বছর বয়সী পামেলা সিসনেরোস, যিনি কুইন্সের বাসিন্দা। তার মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা ছিল বলে জানা গেছে।
নিউইয়র্ক পুলিশের কমিশনার জেসিকা টিশ বলেন, সিসনেরোস একটি সুপরিচিত সুপারমার্কেট চেইনের লোগোযুক্ত ব্যাগ থেকে দুটি বড় ছুরি বের করে দিনের বেলায় পথচারীদের হুমকি দিতে শুরু করেন।
এরপর তিনি ৬৮ বছর বয়সী এক পুরুষের কাছে গিয়ে তার পেটে ছুরিকাঘাত করেন। প্রায় ২০ সেকেন্ড পর তিনি ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে আক্রমণ করে তার পেটেও ছুরিকাঘাত করেন। পরে ওই নারী আহত অবস্থায় মারা যান।
পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সিসনেরোসকে অস্ত্র ফেলে দেওয়ার জন্য বোঝানোর চেষ্টা করে। টিশ বলেন, ‘কর্মকর্তারা চার মিনিট ধরে ওই নারীর সঙ্গে কথা বলেন এবং ছুরি ফেলে দিতে তাকে বারবার নির্দেশ দেন। কিন্তু তিনি তা করতে অস্বীকৃতি জানান।’
স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল পিক্স ১১-কে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন নারীর দুই হাতে দুটি ছুরি ছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘তারা তাকে দুবার গুলি করে।’ পুলিশ নিশ্চিত করেছে, গুলি চালানোর আগে তারা ওই নারীকে থামাতে স্টান গান (বিদ্যুৎ শক দেওয়ার অস্ত্র) ব্যবহার করেছিল, কিন্তু তা কার্যকর হয়নি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আহত অবস্থায় সিসনেরোসকে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ কমিশনার টিশ বলেন, এই হামলার সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের কোনো যোগসূত্র রয়েছে বলে তারা মনে করছেন না। তিনি বলেন, ‘টাইমস স্কয়ারের প্রাণকেন্দ্রে এটি ছিল অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি পরিস্থিতি। এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থল।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেকোনো সময় এই সড়কগুলো দিয়ে হাজার হাজার নিউইয়র্কবাসী, যাত্রী, পর্যটক, পরিবার ও কর্মজীবী মানুষ চলাচল করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন