প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী সাগরদাঁড়ি আপ ট্রেনটি চালক নিখোঁজ হয়ে যান। এই ঘটনার পর, এক ঘণ্টা ৭ মিনিট পর, সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে তিনি ফিরে এসে ট্রেন নিয়ে যাত্রা শুরু করেন। এই ঘটনায় ট্রেনের যাত্রীরা নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। যাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে নিরাপত্তার স্বার্থে স্টেশন মাস্টার এবং কর্মচারীরা আত্মগোপন করেন। পরে, এক ঘণ্টা ১০ মিনিট পর চালক ফিরে আসলে ট্রেনের চলাচল স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।
ট্রেনের যাত্রী বাপ্পি নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, "আগামীকাল শুক্রবার রাজশাহীতে বিএসসি পরীক্ষা দিতে যাচ্ছি। খুলনা থেকে এই ট্রেনে উঠেছি। আজ পৌঁছাতে না পারলে পরীক্ষা দেব কীভাবে, সেই চিন্তায় আছি।"
এক ঘণ্টা পর ট্রেনের চালক মাহবুবুর রহমান ফিরে এলেও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাননি। তার কাছে যখন নিখোঁজ থাকার কারণ জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে ট্রেন চালু করে হুইসেল বাজিয়ে যাত্রা শুরু করেন।
সাগরদাঁড়ি ট্রেনের গার্ড শফিকুল ইসলাম জানান, "খুলনা থেকে ট্রেনটি নিয়ে বিকেল ৬টা ৭ মিনিটে মোবারকগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছাই। এরপর ট্রেন ছাড়ার ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হলেও ট্রেন না ছাড়ায় খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, চালক ইঞ্জিন রেখে চলে গেছেন। তবে কী কারণে তিনি ইঞ্জিন রেখে চলে গেছেন, তা বলতে পারছি না।"
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাহজাহান আলী জানান, "খুলনা থেকে ছেড়ে আসা সাগরদাঁড়ি ১৬১ আপ ট্রেনটি সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটে মোবারকগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছায়। নিয়ম অনুযায়ী দুই মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পর ট্রেন ছাড়ার ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয়। কিন্তু চালককে ইঞ্জিনে গিয়ে দেখা যায়, দরজা বন্ধ এবং ইঞ্জিনও বন্ধ। এরপর থেকেই তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করা হয়। এক ঘণ্টার বেশি সময় পর চালক ফিরে এসে ট্রেন নিয়ে যাত্রা শুরু করেন।" এ বিষয়ে স্টেশন মাস্টার শাহজাহান আলী বলেন, "বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে রেল কর্তৃপক্ষ।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন