প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পাবনার ঈশ্বরদীতে কয়েলের আগুন থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে শামিম হোসেন নামের এক ব্যক্তির বসতবাড়ি সম্পূর্ণরূপে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
এই ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে, উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের খারজানি এলাকায়।
ভুক্তভোগী শামিম হোসেন ওই এলাকার আবু বক্করের ছেলে।
স্থানীয়দের মতে, হঠাৎ করে শামিম হোসেনের বাড়িতে আগুনের শিখা দেখা যায়, যা দেখে তারা দ্রুত সেখানে ছুটে আসেন। প্রত্যেকে নিজেদের মতো করে পানি, বালু, মাটি নিক্ষেপসহ বিভিন্ন উপায়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। কিন্তু অগ্নিকাণ্ডের তীব্রতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে গায়ের একটি পোশাকও পুড়ে যায়।
ভুক্তভোগী শামিম হোসেন জানিয়েছেন, তিনি রাতে গোয়ালঘরে মশা তাড়াতে কয়েল জ্বালিয়েছিলেন। হঠাৎ সেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে এবং গোয়ালঘরে আগুন ধরে যায়। পরে মুহূর্তের মধ্যে বসতঘর, রান্নাঘরসহ পুরো বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় পরিবারের সদস্যরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং প্রতিবেশীরাও সাহায্যে এগিয়ে আসেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান, তবে তখন পর্যন্ত পুরো বাড়ির সবকিছু আগুনে পুড়ে গেছে। ভুক্তভোগী দাবি করেছেন, এতে নগদ ৫০ হাজার টাকা, ২টি সোনার গহনা, আসবাবপত্রসহ সবকিছু পুড়ে অন্তত ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে, তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে গোয়ালঘরে থাকা কয়েল থেকেও আগুনের সূত্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডের ফলে বসতঘর ও সঞ্চিত অর্থ হারিয়ে শামীম হোসেনের পরিবার বর্তমানে চরম দুর্ভোগে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি এলাকার মানুষও সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও স্থানীয়দের পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন