প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পারিবারিক ক্যানভাস বা ডিজিটাল স্ক্রিনের পরিবর্তে, এবার এক মার্কিন পাইলট অসীম নীল আকাশকে ক্যানভাস হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তিনি একটি ছোট উড়োজাহাজ নিয়ে প্রায় চার ঘণ্টার মধ্যে সুনির্দিষ্ট ও জটিল আকাশপথে উড়ে লিওনার্দো দা ভিঞ্চির কালজয়ী চিত্রকর্ম ‘মোনালিসা’র আদল তৈরি করেছেন। গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা ও আরকানসাসের আকাশে এই অনন্য শিল্পকর্মটি ভেসে ওঠে। উড্ডয়নের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই জাদুকরী ট্র্যাকিং চিত্রটি ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে তা নেটদুনিয়ায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।
আকাশের ক্যানভাসে চিত্রকর্মটি যেভাবে আঁকা হলো, তা সত্যিই চিত্তাকর্ষক। এয়ারনাভ রাডারের (AirNav Radar) তৈরি ত্রিমাত্রিক ফ্লাইট-পাথ ভিজ্যুয়ালাইজেশনে উড্ডয়নের পুরো পথটি অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে। তথ্য অনুযায়ী, আরকানসাসের বেনটনভিল শহরের বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করেন ওই পাইলট। এরপর আকাশে অত্যন্ত নিখুঁত ও জটিল পথ অনুসরণ করে আঁকাবাঁকা ফ্লাইটের মাধ্যমে ধীরে ধীরে মোনালিসার অবয়বটি তৈরি করা হয়।
উড়োজাহাজের তথ্য ও জটিল উড্ডয়ন
ফ্লাইট ট্র্যাকিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, মোনালিসার চিত্রকর্মটি ফুটিয়ে তুলতে ‘সেসনা আর-১৮২ স্কাইলেন আরজি’ (Cessna R182 Skylane RG) মডেলের একটি ছোট উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হয়। পাইলট প্রায় চার ঘণ্টা ধরে ওকলাহোমা ও আরকানসাসের সীমানা আকাশে একেবারে মেপে মেপে জটিল উড্ডয়ন পথ ধরে এই পুরো শিল্পকর্মটি সম্পন্ন করেন।
পাইলট ও শিল্পী বেঞ্জামিন ম্যাকড্যানিয়েল এই অবিশ্বাস্য শিল্পকর্মটির নেপথ্য কারিগর। তিনি একজন দক্ষ উড়োজাহাজ পাইলট এবং শিল্পী। সেসনা উড়োজাহাজটির নিবন্ধিত মালিকও তিনি নিজেই। ম্যাকড্যানিয়েল নিয়মিতভাবে উড়োজাহাজ ট্র্যাকিং ও ভিজ্যুয়ালাইজেশনের মাধ্যমে আকাশে আঁকা বিভিন্ন অদ্ভুত ও সুন্দর ডিজিটাল চিত্রের ফ্লাইট-পাথ ভিজ্যুয়াল নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করে থাকেন।
সূত্র: উইয়ন নিউজ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন