প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাষ্ট্রে জমি কেনার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি বিশ্বাসযোগ্য দাবি হলো, মাত্র ৫০০ ডলারে এক একর জমি কেনা যায় এবং বাংলাদেশি পাসপোর্ট থাকলেই যেকোনো রাজ্যে সহজে জমির মালিক হওয়া সম্ভব। তবে এ দাবি সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর। মার্কিন কৃষি বিভাগ এবং স্থানীয় ভূমি আইনের তথ্য বিশ্লেষণ করে এটি দেখা গেছে যে, অতি প্রত্যন্ত কিছু এলাকায় কম দামে জমি পাওয়া গেলেও সাধারণ বাজারদর ও বিদেশি নাগরিকদের জন্য জমি কেনার শর্ত আলাদা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, দেশজুড়ে কৃষিজমি ও খামার সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির গড় মূল্য প্রতি একর ৪ হাজার ৩৫০ ডলার। নিউ মেক্সিকো, নেভাদা ও অ্যারিজোনার মতো কিছু রাজ্যের প্রত্যন্ত মরু এলাকায় অপেক্ষাকৃত কম দামে জমি পাওয়া যায়, কিন্তু সেখানে রাস্তা, বিদ্যুৎ, পানি এবং পয়ঃনিষ্কাশনের মতো মৌলিক সুবিধা নেই। জমি কিনলেও সেখানে আবাসন নির্মাণের অনুমতি নাও মেলে।
এছাড়া, বিদেশি নাগরিকদের জমি কেনার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো নিষেধাজ্ঞা তো নেই তবে রাজ্যভিত্তিক বিভিন্ন আইনগত বাধা রয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসের গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে যে, কৃষিজমির বিদেশি মালিকানা সংক্রান্ত আইন রাজ্যভিত্তিক ভিন্ন। তাই বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য জমি কেনার পূর্বে নির্দিষ্ট রাজ্যের আইন জানার প্রয়োজন রয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্রে কোনো জমি বা স্থাবর সম্পত্তি কিনলেই ভিসা, গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী বসবাসের সুযোগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিলছে না। কারণ অভিবাসন নীতি এবং সম্পত্তির মালিকানা দুটি সম্পূর্ণ আলাদা আইনি বিষয়। একইসঙ্গে কিস্তিতে অথবা সরকারি সুবিধায় সস্তায় জমি বিক্রির বিজ্ঞাপনগুলো মূলত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক প্রচার। তাই কোনো বিনিয়োগের আগে জমির স্বত্ব ও বকেয়া কর যাচাই করা অত্যাবশ্যক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন