প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু সম্পর্কিত চলমান মামলায় নতুন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আদালতের নিযুক্ত ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ পাবলো ফেরারি উল্লেখ করেছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ম্যারাডোনার মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, এই সম্ভাবনা পুরোপুরি অস্বীকার করা যায় না।
সান ইসিদ্রোর আদালতে মামলার শেষ সাক্ষী হিসেবে হাজির হয়ে ফেরারি জানান, ২০২০ সালের নভেম্বরে ম্যারাডোনার ময়নাতদন্তের সময় তার শরীরে কোভিড-১৯-এর উপস্থিতি যাচাই করার জন্য কোনো পরীক্ষা করা হয়নি। এই কারণে মৃত্যুর সঙ্গে করোনাভাইরাসের সম্পর্ক ছিল কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর বুয়েনস এইরেসে নিজ বাড়িতে হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ৬০ বছর বয়সে মারা যান ম্যারাডোনা। মৃত্যুর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে তিনি মস্তিষ্কে সাবডিউরাল হেমাটোমার অস্ত্রোপচার শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন।
ম্যারাডোনার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে মামলা চলছে। ইতিমধ্যে মামলায় ৭৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।
আদালতে ফেরারি বলেন, মহামারির সময় ম্যারাডোনার ময়নাতদন্ত করা হলেও কোভিড পরীক্ষা না হওয়ায় এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তার মতে, কিছু ক্ষেত্রে শ্বাসতন্ত্রে প্রবেশ করা করোনাভাইরাস দ্রুত গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে, যার ফলে রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে পারে এবং অল্প সময়ের মধ্যে মৃত্যু ঘটতে পারে।
ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের এই বক্তব্য ম্যারাডোনার চিকিৎসকদের আইনজীবীদের অবস্থানকে নতুন করে জোরালো করেছে। ম্যারাডোনার প্রধান চিকিৎসক লিওপোলদো লুকের পক্ষ থেকে এর আগে দাবি করা হয়েছিল, তার ফুসফুসে হঠাৎ তরল জমে তীব্র শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি হয়েছিল। এর পরেই তার হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে অভিযুক্ত আটজনের বিচার যখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে, ঠিক তখনই আদালতের নিযুক্ত ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের এই বক্তব্য ম্যারাডোনার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে নতুন প্রশ্ন ও বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন