প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) ১২৯ জন অভিবাসীকে আটক করেছে। আটককৃত অভিবাসীদের মধ্যে ১০০ জন বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) কেদাহ ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক মোহদ রিদজুয়ান মোহদ জাইন এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন। খবর প্রকাশ করেছে দ্য স্টার।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল ১০টায় কেদাহ রাজ্যের কুলিম জেলায় একটি বাণিজ্যিক ভবনের নির্মাণস্থলে এই বিশেষ অভিযান শুরু হয়। 'অপস সাপু' নামের এই অভিযানে কেদাহ ইমিগ্রেশন বিভাগের ২০ সদস্যের একটি বিশেষ এনফোর্সমেন্ট দল কাজ করে। অভিযানটি গোয়েন্দা তথ্য এবং জনসাধারণের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।
কেদাহ ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক মোহদ রিদজুয়ান মোহদ জাইন জানান, অভিযানে মোট ১৫৯ জনের পরিচয়পত্র ও কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। তাদের মধ্যে ৩০ জন মালয়েশিয়ান নাগরিক এবং ১২৯ জন বিদেশি ছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে ১২৯ অভিবাসীকেই আটক করা হয়।
আটক অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে বৈধ ভ্রমণ নথি বা ওয়ার্ক পাস না থাকা, নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান (ওভারস্টে), এবং পাসের শর্ত লঙ্ঘনসহ অভিবাসন আইনের বিভিন্ন ধারার ভঙ্গ।
আটকদের মধ্যে ১২৫ জন পুরুষ এবং চারজন নারী রয়েছেন। জাতীয়তা অনুযায়ী তাদের মধ্যে ১০০ জন বাংলাদেশি, ১১ জন পাকিস্তানি, ১০ জন ইন্দোনেশীয় এবং ৮ জন মিয়ানমারের নাগরিক।
অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কিছু অবৈধ অভিবাসী পালানোর চেষ্টা করেন। বেশ কয়েকজন নির্মাণাধীন ভবনের উঁচু অংশে এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে লুকানোর চেষ্টা করেন। তবে অভিযানকারী সদস্যদের দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং সবার আটক নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
মোহদ রিদজুয়ান মোহদ জাইন বলেন, আটক ব্যক্তিদের বয়স ২১ থেকে ৬২ বছরের মধ্যে। পরবর্তী তদন্ত, প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের বেলান্তিক ইমিগ্রেশন ডিপোতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
কেদাহ ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। একইসাথে নিয়োগকর্তাদের বৈধ কাগজপত্র এবং কর্মঅনুমতিবিহীন বিদেশি কর্মী নিয়োগ বা আশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ লঙ্ঘনকারী প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন