প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বলিউডের অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান প্রায় ৯ বছর আগে প্রথম সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, তৈমুর। তবে, তার পোস্ট-প্রেগন্যান্সি ট্রান্সফর্মেশন এখনও তার ভক্তদের মনে রয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তিনি নিজেকে লুকিয়ে রাখেননি, এবং প্রসবের পরও তিনি পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় বহুবার ধরা পড়েছেন। কঠোর ব্যায়াম কিংবা ক্র্যাশ ডায়েটের মাধ্যমে নয়, বরং দ্রুত ওজন কমানোর জন্য তিনি চেষ্টা করেছেন। প্রেগন্যান্সির পর ওজন কমানোর বিষয়টি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তবে রোগা হওয়ার জন্য তিনি কখনোই চেষ্টা করেননি।
কারিনা একা নন, প্রত্যেক নারীর গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি ঘটে। এ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। তবে, সন্তান জন্মের পর প্রতিটি মায়ের জীবন পরিবর্তিত হয়। নিজেদের যত্ন নেওয়ার জন্য সময় থাকে না, কিন্তু এর মধ্যেও নিজেদের খেয়াল রাখতে হয়।
ক্র্যাশ ডায়েট বা খাওয়াদাওয়া বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। বরং, কারিনা কাপুরের মতো একটি ব্যালান্সড ও পুষ্টিকর ডায়েটের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। কঠোর শরীরচর্চার প্রয়োজন নেই, তবে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করতে হবে। যে কোনো ধরনের এক্সারসাইজ করলেই উপকার পাওয়া যাবে। তবে মনে রাখতে হবে, ওজন একদিনে কমবে না; ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।
২০১৭ সালে এক সাক্ষাৎকারে কারিনা জানিয়েছিলেন, গর্ভাবস্থায় তার ওজন প্রায় ১৮ কেজি বেড়ে গিয়েছিল। তবে তিনি তার পছন্দের খাবার খাওয়া বন্ধ করেননি। প্রতিদিন ভাত এবং ঘি দিয়ে পরোটা খেতেন তিনি।
তৈমুরের জন্মের পর তিনি খাওয়াদাওয়া বন্ধ করেননি। তার মতে, না খেয়ে কখনোই ওজন কমানো সম্ভব নয়। তখন তার পুষ্টিবিদ ছিলেন রুজুতা দিবেকর। রুজুতা একবার কারিনা প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন, তার পোস্ট-প্রেগন্যান্সি ডায়েট ছিল খুব সাধারণ। তিনি একটি ব্যালান্সড ডায়েট মেনে চলতেন, যেখানে পর্যাপ্ত ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেট ছিল। সেই সময়, ডায়েটের পাশাপাশি কারিনা ফিটনেস ও স্ট্রেন্থের ব্যাপারেও সচেতন ছিলেন।
সাইফপত্নী যোগাসনে বিশ্বাসী। আজও তিনি যোগব্যায়াম করে ফিটনেস বজায় রেখেছেন। তবে তৈমুরের জন্মের পর কারিনা জিমে বেশি সময় কাটিয়েছেন। ফ্রিহ্যান্ড ও কার্ডিওর ওপর তিনি জোর দিয়েছেন। ট্রেডমিলে জোরে হাঁটা, কেটেল বল থেকে রোপ ট্রেনিং— সব কিছু করেছেন। কারিনা জানিয়েছেন, প্রেগন্যান্সির সময়ে যে পরিমাণ ওজন বেড়েছিল, তা ঝরাতে চান, তবে রাতারাতি নয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন