প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নিরাপদ হোক রক্তদান, আমার রক্তে বাঁচুক প্রাণ’ স্লোগানকে সামনে রেখে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রক্তিমার উদ্যোগে ‘খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির মাধ্যমে তারুণ্যের ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে।
সেমিনারটি রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। একই অনুষ্ঠানে সংগঠনের নবীন সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়, প্রবীণ সদস্যদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়, বেস্ট ভলান্টিয়ারদের ক্রেস্ট দেওয়া হয় এবং সর্বোচ্চ রক্তদাতাদের সার্টিফিকেট দিয়ে সম্মানিত করা হয়।
রক্তিমার সভাপতি সোহরাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য আল মামুন ও হিতুআরা খাতুনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। অনুষ্ঠানে কী-নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. হাফিজুর রহমান এবং অধ্যাপক ড. আসাদ-উদ-দৌলা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড. এ কে এম মতিনুর রহমান শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পুষ্টি ও নিয়মানুবর্তিতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকে এবং তাদের মধ্যে অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের প্রবণতা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের খাবার কিংবা স্ট্রিট ভেন্ডরগুলোর খাবারের মান সবসময় শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব না হলেও, অনিয়মিতভাবে খাবার গ্রহণ এবং অতিরিক্ত রাত জাগার কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ও পরিমিত খাবার গ্রহণের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে অভ্যস্ত হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের গড় আয়ু প্রায় ৭০ বছর হলেও পড়ালেখা ও অন্যের ওপর নির্ভরশীলতার সময় বাদ দিলে একজন মানুষ মূলত নিজের নিয়ন্ত্রণে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি সময় কাটানোর সুযোগ পায়। তাই সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার মাধ্যমে জীবনের এই সময়কে কার্যকর ও অর্থবহ করে তুলতে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে উপাচার্য রক্তিমাকে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন