প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় সংঘটিত একটি ট্রাকের সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে বাবা ও ছেলে প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় একই পরিবারের আরেক সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তিনি বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ২টার সময় ঘটনাটি উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের মন্থনা বাজার এলাকায় ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম মান্দ্রাইন গ্রামের নির্মল চন্দ্র রায়, যিনি বয়সে ৭৫ এবং তার ছেলে প্রশান্ত চন্দ্র রায়, যিনি ৩৫ বছর বয়সী। উল্লেখযোগ্য যে, প্রশান্ত চন্দ্র রায় হচ্ছে পেশায় একজন পল্লীচিকিৎসক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, নির্মল চন্দ্র রায়, তার ছেলে প্রশান্ত চন্দ্র রায় এবং নাতি বন্ধন চন্দ্র রায় মোটরসাইকেলে করে বড়াইবাড়ি তুলশীহাটে একটি অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। যখন তারা মন্থনা জুট মিলের কাছে পৌঁছান, তখন একটি বেপরোয়া ট্রাকের সাথে তাদের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণহানি ঘটে প্রশান্ত চন্দ্র রায়ের। গুরুতর আহত অবস্থায় নির্মল চন্দ্র রায় এবং তার নাতি বন্ধন চন্দ্র রায়কে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রথমে নির্মল চন্দ্র রায়কে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বর্তমানে নাতি বন্ধন চন্দ্র রায় আইসিইউতে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান দুলু মন্তব্য করেন, নির্মল চন্দ্র রায় এবং তার ছেলে প্রশান্ত স্থানীয়ভাবে পরিচিত এবং সেবাপরায়ণ মানুষ ছিলেন। দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যুতে এলাকার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ছোট শিশুটির অবস্থাও হাসপাতালের আইসিইউে গুরুতর সংকটাপন্ন। মরদেহ দ্রুত পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
গঙ্গাচড়া মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর ট্রাক রেখে চালক ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে আটকের চেষ্টা করছে। বর্তমানে ট্রাকটি থানায় রয়েছে এবং এই ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন