প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন, জুলাই চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি করা যাবে না।
তিনি রবিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন বন্দোবস্ত কোনটা? দায়-দরদের রাজনীতি আসলে কোনটা? এসব শব্দের ব্যাখ্যা জরুরি। নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতি যদি জনগণ গ্রহণ করে, তবে জনগণ আপনাদের পক্ষে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, একটা নতুন দল জুলাইয়ের কথা বলে ৪৭ এ যেতে চায়। সংসদে বলেছিলাম ৪৭ এ আপনারা ছিলেন না। তারা হীনস্বার্থে ৪৭ গ্রহণ করে একাত্তরকে বর্জন করে, আবার চব্বিশকে গ্রহনের প্রচেষ্টা করছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেন, আমিই ঐকমত্য কমিশনে গণভোটের কথাটি বলেছিলাম। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার গণভোট অধ্যাদেশ জারি করলো। কিন্তু ছলচাতুরির মাধ্যমে চারটা প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’, ‘না’ ভোট দেয়া হলো এবং কোনো বিকল্প রাখা হলো না। জুলাই জাতীয় সনদে তো অনেকগুলো দফা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তিনি অধিকাংশ মন্তব্য করেন, গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের যে চিন্তা, সেটি সাংবিধানিক নয়। আমরা রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের মাধ্যমে আইনশাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করব। সাংবিধানিক সংস্কার করা হবে এবং অন্যান্য সব জায়গায় সাংবিধানিক সংস্কার করতেও আমরা প্রস্তুত আছি। আইন সংশোধনের জন্য অধ্যাদেশ আইন প্রণয়নই যথেষ্ট। আমরা সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে কথা বলে সংবিধান সংস্কার আইন প্রণয়ন করব।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিরোধীদলের অনেক নেতা জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কথা বলছেন। তারা অনেকেই বলছেন, সরকারকে বিদায় করে দেবে। তিনি তাদের সংবিধান সংস্কার কমিটিতে আসতে বলবেন। সাংবিধানিক কাঠামো ছাড়া সংবিধান সংস্কার সম্ভব নয়। সংসদে বিরোধীদল ওয়াকআউট করেছে। একজন বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, আদালতের রায়ে গণভোট ফিরে এসেছে। তিনি বোঝেননি যে, এটা আগের যে গণভোট সেটা ফিরে এসেছে। তারা যে গণভোটের কথা বলছেন, সেটি সাংবিধানিক গণভোট নয়; রাষ্ট্রপতির আদেশে এখতিয়ার ছাড়া এটি হয়েছিল।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আইনের শাসন কার্যকর করতে না পারার কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মব কালচার সৃষ্টি হয়। সে সময় কিছু লোকের কর্মসংস্থান তৈরিতে কমিশন তৈরি হয়েছিল, যাদের আসলে কোনো কর্ম ছিল না।
বিভিন্ন ধরনের গুমের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা শাস্তি দিতে হবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সামনের সংসদে গুম প্রতিরোধ আইন আনা হবে। কোন কোর্টে বিচার হবে, কোন ধরনের গুমের কতদিন জেল হবে— এসব বিষয়ে আলোচনা হতে চলেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন