প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ভারতের কর্নাটকে ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত সাবেক সংসদ সদস্য প্রজ্বল রেভান্নার মোবাইল ফোনে পাওয়া গেছে কয়েক ডজন পর্ন ভিডিও। কারাগারে তার কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইল ফোন ও পেনড্রাইভের ফরেনসিক বিশ্লেষণে এই তথ্য প্রকাশ পায়।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এর প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, গত ১১ আগস্ট বেঙ্গালুরুর পরাপ্পানা আগ্রাহারা কেন্দ্রীয় কারাগারে আকস্মিক তল্লাশি পরিচালনা করে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এই সময় উচ্চনিরাপত্তার ব্যারাকে মোবাইল ফোন ব্যবহাররত অবস্থায় প্রজ্বল রেভান্নাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে একটি চার্জার, একটি পেনড্রাইভ ও একটি নোটবুকও জব্দ করা হয়।
পরে জব্দ করা মোবাইল ফোন ও পেনড্রাইভ ফরেনসিক বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে মোবাইল ফোনে বহু পর্ন ভিডিও এবং পেনড্রাইভে বিভিন্ন ওয়েব সিরিজের ভিডিও থাকার তথ্য পাওয়া যায়।
কারাগারে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ঘটনায় এক কারা কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারাগারের ভেতরে ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন, সিম কার্ড ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক যোগাযোগের ডিভাইস ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বন্দিদের যোগাযোগের জন্য কেবল নজরদারির আওতায় থাকা ল্যান্ডলাইন, পাবলিক কল অফিস (পিসিও) ও নির্দিষ্ট ভিডিও-কলিং ব্যবস্থার অনুমতি রয়েছে।
প্রজ্বল রেভান্না ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়ার নাতি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীর ভাতিজা। ধর্ষণ ও এক নারীর যৌন নির্যাতনের ভিডিও ধারণ ও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গত বছর তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পরে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মামলার অভিযোগকারী ৪৮ বছর বয়সী ওই নারী হাসান জেলার হোলেনারাসিপুরায় রেভান্না পরিবারের একটি খামারবাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তার অভিযোগ, ২০২১ সাল থেকে প্রজ্বল তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন এবং এসব ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখেন। বিষয়টি কাউকে জানালে ভিডিও প্রকাশ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কারাগারে প্রজ্বল রেভান্নার কাছে মোবাইল ফোন পাওয়ার ঘটনায় ফের প্রশ্ন উঠেছে কারাগারের ভেতরে প্রভাবশালী বা ‘ভিআইপি’ বন্দিদের বিশেষ সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ নিয়ে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন