প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকার বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে লটারির মাধ্যমে বদলি করা হয়েছে ১৮ জন সাব-রেজিস্ট্রারকে, যারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। সারাদেশের ১৩১ জন সাব-রেজিস্ট্রারের মধ্যে লটারির মাধ্যমে তাদের বাছাই করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাব-রেজিস্ট্রার বদলির কার্যক্রমটি অনুষ্ঠিত হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, নির্বাচিতদের দক্ষতা ও কাজের চাপের ভিত্তিতে ঢাকার বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে তাদের পদায়ন করা হবে।
লটারিতে নির্বাচিত ১৮ জনের মধ্যে রয়েছেন, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির সাব-রেজিস্ট্রার রিপন চাকমা, যশোর সদরের সাব-রেজিস্ট্রার আমিনা বেগম, মানিকগঞ্জের ঘিওরের সাব-রেজিস্ট্রার শর্মিলা আহমেদ সম্পা, মুন্সীগঞ্জ সদরের সাব-রেজিস্ট্রার আলী আজগর, টাঙ্গাইলের গোপালপুরের সাব-রেজিস্ট্রার রাজীব মজুমদার, চট্টগ্রামের বাঁশবাড়িয়ার সাব-রেজিস্ট্রার শিংমং থোয়াই এবং ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের সাব-রেজিস্ট্রার মনিষা রায়।
এছাড়া, কুমিল্লার দাউদকান্দির সাব-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ হানিফ, সাতক্ষীরার শ্যামনগরের সাব-রেজিস্ট্রার নাজনীন জাহান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের সাব-রেজিস্ট্রার এস এম আবু মুসা, পিরোজপুরের নাজিরপুরের সাব-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ মাসুম, নরসিংদীর মনোহরদীর সাব-রেজিস্ট্রার গোবিন্দ সাহা, কুষ্টিয়া সদরের সাব-রেজিস্ট্রার রাশেদ মল্লিক, চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার সাব-রেজিস্ট্রার অমিত মঙ্গল চাকমা এবং চুয়াডাঙ্গা সদরের সাব-রেজিস্ট্রার অজয় কুমার সাহা লটারির মাধ্যমে ঢাকায় বদলির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্য দুজন হলেন, চাঁদপুরের চিতলমারীর সাব-রেজিস্ট্রার ফরিদা আক্তার, সাতক্ষীরা সদরের সাব-রেজিস্ট্রার অমাইক বাবু এবং নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের সাব-রেজিস্ট্রার গোলাম মর্তুজা।
আইনমন্ত্রী আরও জানান, ঢাকার জন্য নির্বাচিত ১৮ জনের মধ্যে দক্ষতা ও কাজের চাপের ভিত্তিতে বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে তাদের পদায়ন করা হবে। ঢাকার সব কার্যালয়ে কাজের চাপের পরিমাণ এক নয়। তাই যে কর্মকর্তা যে পরিমাণ কাজের চাপ নিতে সক্ষম, তাকে সেই অনুযায়ী দায়িত্ব দেওয়া হবে।
সাব-রেজিস্ট্রারদের প্রাইজ পোস্টিংয়ে বদলির উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, পাবলিক পারসেপশনে যেসব জায়গাকে দুর্নীতির আখড়া মনে করা হয়, সেসব জায়গায় গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট ভাঙার উদ্দেশ্যে এ প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে।
আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রাতারাতি সব পরিবর্তন সম্ভব নয়। এই উদ্যোগ একটি শুরুর প্রক্রিয়া এবং এটি চলমান থাকবে। লটারিতে নির্বাচিতদের সাধারণভাবে সার্ভিস রুল অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হবে। তবে দায়িত্ব নিয়ে দুর্নীতিতে জড়ালে তাদের রাখা হবে না।
বর্তমানে সারাদেশে ২৩২ জন সাব-রেজিস্ট্রার কর্মরত আছেন এবং ১৩৯টি পদ খালি রয়েছে। আইনমন্ত্রী জানান, খালি পদগুলোতে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সাব-রেজিস্ট্রারদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত ছয় মাসে এ ধরনের অভিযোগে প্রায় ১০ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন