প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে তিনটি সংবাদমাধ্যম, সিএনএন-এমএস নাও-পলিটিকো, হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিজেদের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার পুনর্বহালের জন্য মামলাটি করার ঘোষণা দিয়েছে এই তিনটি প্রতিষ্ঠান।
মামলাটি যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ফর দ্য ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ায় দাখিল করা হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে করা আবেদনের ওপর চলতি সপ্তাহেই শুনানি ও প্রশাসনের বক্তব্য শোনার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলো।
সিএনএন-এমএস নাও-পলিটিকো যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, সাংবাদিকদের প্রতিবেদন নিয়ে আপত্তি থাকার কারণে কোনো নোটিশ বা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তাদের হোয়াইট হাউসের প্রেস ক্রেডেনশিয়াল বাতিল করা হয়েছে। তারা দাবি করেছে, সরকারের কোন খবর সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করবে বা করবে না, এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সরকারের নেই।
তিনটি প্রতিষ্ঠান আরও বলেছে, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং সরকারি হস্তক্ষেপমুক্ত সংবাদ পরিবেশনের অধিকারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
গত শুক্রবার ট্রাম্প সিএনএন-এমএস নাও-পলিটিকোকে হোয়াইট হাউস থেকে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেন। শনিবার, যখন প্রতিষ্ঠান তিনটির সাংবাদিকরা হোয়াইট হাউসে প্রবেশের চেষ্টা করেন, তখন তাদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়নি এবং কয়েকজনের প্রেস ব্যাজও জব্দ করা হয়।
ট্রাম্প ওই সিদ্ধান্তের পক্ষে সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন নিয়ে আপত্তির কথা জানিয়েছিলেন এবং অন্য সংবাদমাধ্যমকেও ভবিষ্যতে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
নিষেধাজ্ঞার ফলে সিএনএন-এমএস নাও-পলিটিকোর সাংবাদিকরা হোয়াইট হাউসের ভেতরে তাদের নির্ধারিত কর্মস্থলে প্রবেশ করতে পারছেন না। সিএনএন-এমএস নাও তাদের টেলিভিশন সরঞ্জাম এবং হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণের নির্দিষ্ট ক্যামেরা পজিশনও ব্যবহার করতে পারছে না।
মামলায় তিন সংবাদমাধ্যম দাবি করছে, এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে সুরক্ষিত সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার অধিকার এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার সাংবিধানিক সুরক্ষা লঙ্ঘন করেছে।
এদিকে, নিষেধাজ্ঞার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও প্রেস-স্বাধীনতা সংগঠনও সিদ্ধান্তটির সমালোচনা করেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন নিষেধাজ্ঞার পক্ষে আইনি অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।
মামলাটি এখন হোয়াইট হাউসের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমগুলোর সম্পর্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি কর্মকাণ্ড কভার করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন