প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বিগত ১৭ বছরের তুলনায় বর্তমানে ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্তব্য করেছেন যে, দেশে পত্রিকার পাতায় গুম, খুন এবং ব্যাংক লুটের খবর নেই।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তিনি ভোলা সদরের ইলিশা ও রাজাপুরের নদীভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তাঁর এ মন্তব্যটি করেন।
ব্যারিস্টার পার্থ উল্লেখ করেন, গত সাড়ে চার মাসে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে গুম, খুন, হয়রানি ও রাজনৈতিক মামলা বা রাষ্ট্রীয়ভাবে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।
তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের রাষ্ট্রীয় মদদে গুম-খুন বা বড় ধরনের দুর্নীতি হয়নি এবং ভবিষ্যতেও এমন ঘটনা ঘটবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। যদি কেউ ব্যক্তিগতভাবে অনিয়ম করে, তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
ভোলার শিল্পায়নের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, 'শুধু গ্যাস থাকলেই শিল্প গড়ে ওঠে না।' ভোলা-বরিশাল সেতুসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, আইনশৃঙ্খলা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো ভোলাকে একটি শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা, এবং এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
এমপি পার্থ ভোলা-বরিশাল সেতু প্রসঙ্গে বলেন, সরকার নীতিগতভাবে সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে ডিপিপি অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এরপর পিপিপি পদ্ধতিতে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নেয়া হবে। একইভাবে ভোলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্যও সরকার কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নদীভাঙন বিষয়ে এমপি পার্থ জানান, ভোলার শিবপুর, ইলিশা ও রাজাপুর এলাকায় ভাঙন উদ্বেগজনক। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরও জানান, বিশ্বব্যাংকের একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে; তবে কাজের গতি আরও বেড়ে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মনে করছেন। নদীর গতিপ্রকৃতি এবং কারিগরি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে।
এছাড়া হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে পার্থ বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসক, পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ জনবলের সংকট এবং ওষুধের বিষয়েও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার দাস, সিভিল সার্জন ডা. মনিরুল ইসলাম এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) নেতাকর্মীরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন