প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সুন্নি ঘরানার বক্তা মাওলানা আতাউল বারী আলকাদেরী মন্তব্য করেছেন যে, "চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে।" তার এই বক্তব্যের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি মসজিদের মিম্বারে দাঁড়িয়ে এই মন্তব্য করছেন। ভিডিওতে আতাউল বারী উল্লেখ করেন, "রাউজানের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে। কারণ এই রাউজানের মধ্যে শতকরা ৯০ জন সুন্নি এবং শতকরা ৯০ জন আশেকে রাসুল।" এরপর তিনি বলেন, "রাউজানের পরে রাঙ্গুনিয়া যাবে। তারপরে হাটহাজারী যাবে। তারপর বাঁশখালী যাবে। তারপরে আনোয়ারা যাবে। তারপর পটিয়া যাবে।"
তিনি আরও বলেন, "এভাবে যেতে যেতে পুরো চট্টগ্রামবাসীকে আল্লাহ জান্নাত দেওয়ার পরে তারপর অন্য জেলার মানুষ যাবে। কারণ চট্টগ্রাম হচ্ছে সুন্নিয়তের ক্যান্টনমেন্ট। যেখানে শতকরা ৯০ জন সুন্নি এবং আশেকে রাসুল।"
নিজের দাবির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি ৭৩ দলের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "হাদিসে পাকের মধ্যে আছে, আমার নবী বলেন, কেয়ামতের আগে ৭৩টা দল হবে। এই ৭৩টা দলের মধ্যে ৭২ দল জাহান্নামে যাবে। একদল জান্নাতে যাবে। সেটা হচ্ছে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত।"
বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, "সুতরাং জান্নাতে যেতে চাইলে সুন্নি হয়ে যান। নামের আগে সুন্নি লাগায়ে দেন।"
এদিকে, আতাউল বারীর এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই তার বক্তব্যকে মনগড়া ও ভিত্তিহীন দাবি হিসেবে উল্লেখ করেছেন, আবার কেউ কেউ এই বক্তব্য নিয়ে হাস্যরস করছেন।
মাওলানা আতাউল বারী আলকাদেরী স্থানীয়ভাবে সুন্নি বা রেজভী ধারার বক্তা ও শায়ের হিসেবে পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বক্তব্যের কারণে তিনি এর আগেও আলোচনায় এসেছেন।
স্থানীয়দের তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থাকা বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, তার বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা এলাকায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন