প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা তিন সাংবাদিককে হত্যার হুমকির পরের ঘটনা। এমবিএ প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী মো. মাহিন অর রশিদ প্লাবনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে। বিজ্ঞ জেলা নির্বাহী আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) মামলার বাদী সাংবাদিক কালাম মুহাম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। হামলার ঘটনার পর বাড্ডা থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, প্রধান আসামি হিসেবে এমবিএ প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী মো. মাহিন অর রশিদ প্লাবনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন—একই হলের বাধন, মুরাদ পাটোয়ারী, জোবায়ের পাটোয়ারী, প্রত্যয় ও মিনহাজ। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও বাড্ডা থানায় জমা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষার্থী লিখিত ও ভিডিও জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, হামলার পরিকল্পনা মুরাদ ও জোবায়ের পাটোয়ারীর ইন্ধনে করা হয়েছে।
অন্যদিকে, তিন সাংবাদিককে হত্যার হুমকির অভিযোগে মো. মাহিন অর রশিদ প্লাবনকে শোকজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে, যার সদস্যসচিব হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ দায়িত্ব পালন করবেন।
অভিযোগ রয়েছে যে, প্লাবন এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর আত্মীয় পরিচয়ে একাধিক সাধারণ শিক্ষার্থীকে হুমকি দিয়েছেন। তবে, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এই আত্মীয়তার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
প্লাবন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীকে নিয়ে ‘গ্যাং থার্টি সিক্স’ নামে একটি কিশোর গ্যাং পরিচালনা করেন, এবং ওই গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ওপর র্যাগিংয়ের অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী কালাম মুহাম্মদ বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ দেওয়া এবং নিরাপত্তার আবেদন করার পরেও প্রক্টর আবুল কালাম আজাদ সাহেব আমার নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। তার অদক্ষতা এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণেই ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের নাম ভাঙিয়ে হলে এই বিবাদীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নানা সময়ে অত্যাচার করে আসছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইনসাফ চাই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তথা প্রক্টরের এই অদক্ষতার কারণেই আজকের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুরো বিষয়টি আমি আইনগতভাবে মোকাবিলা করব।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন