প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বাংলাদেশের নদীবহুল অঞ্চল বরিশালের বাকেরগঞ্জ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এই উপজেলার বিভিন্ন অংশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে একাধিক নদ-নদী, যা স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা এবং মৎস্য আহরণের সঙ্গে দীর্ঘকাল ধরে জড়িত। তবে বর্তমানে, এসব নদীতে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে রূপালি ইলিশের অভাব দেখা দিয়েছে, যা স্থানীয় জেলে ও ব্যবসায়ীদের জন্য হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভরা মৌসুমে বাকেরগঞ্জের নদীগুলোতে ইলিশের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এর ফলে স্থানীয় হাট-বাজারে ইলিশের সরবরাহও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। বাজারে যে অল্পসংখ্যক ইলিশ উঠছে, তার দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে, এ বিষয়ে ক্রেতাদের অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাজার ও মৎস্য আড়ত পরিদর্শন করে দেখা গেছে, সরবরাহ কম থাকায় বিভিন্ন আকারের ইলিশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ইলিশ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় জেলেদের মতে, নদীতে মাছের পরিমাণ কমে যাওয়ার ফলে তাদের আয়ও কমেছে। মাছ ধরতে নদীতে গেলেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে ইলিশ না পাওয়ায় অনেক জেলে পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে।
জেলে ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিমত, নদীর নাব্যতা সংকট, স্রোতের গতিপথের পরিবর্তন, আবহাওয়ার প্রভাবসহ বিভিন্ন কারণে ইলিশের প্রাপ্যতা কমে যেতে পারে। তবে ইলিশের কম পাওয়ার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন।
ক্রেতাদের অভিযোগ, নদীঘেরা বাকেরগঞ্জে বসবাস করেও সাধারণ মানুষের পাতে ইলিশ ওঠানো এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। বাজারে ইলিশ পাওয়া গেলেও উচ্চমূল্যের কারণে অনেকেই কিনতে পারছেন না।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, নদীগুলোর পরিবেশ ও নাব্যতা রক্ষা, মাছের প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ এবং অবৈধভাবে মাছ আহরণ বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে ইলিশের উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেছেন তারা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন