প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সংসদ ভবন, ২৭ আগস্ট ২০২৬ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা চুক্তি’ যদি সম্প্রসারিত হয়, তাহলে অন্য কোনো দেশ বা সম্প্রদায়ের উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই।
তিনি এক্ষেত্রে এটিকে বৈশ্বিক মুসলিম সম্প্রদায়ের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং মুসলিম দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আজ (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। রুমিন ফারহানা জানতে চান, বাংলাদেশ যদি এ চুক্তিতে যোগ দেয়, তাহলে দেশের জন্য সম্ভাব্য সুবিধাগুলো কী হবে।
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি আলোচনা পর্যায়ে নেই। কারণ এটি মূলত চুক্তিতে যুক্ত দেশগুলোর আগ্রহ এবং সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে।
তিনি আরও বলেন, ‘যদি তারা বাংলাদেশকে এই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানায়, তাহলে অবশ্যই আমাদের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।’
ড. খলিলুর রহমান আরও জানান, বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানোর আগে চুক্তিতে যোগদানের সুবিধা এবং অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করা সময়ের আগেই হয়ে যাবে। তবে সরকার সব বিষয় বিবেচনায় রাখবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তান গত ৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘মক্কা চুক্তি’ স্বাক্ষর করেছে। বাংলাদেশের দৃষ্টিতে তিন দেশের এই উদ্যোগ ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে।
তবে বাংলাদেশের এ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত বর্তমান সদস্য দেশগুলো বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানোর ওপর নির্ভর করবে।
চুক্তিটি সম্প্রসারিত হলে এর উদ্দেশ্য মুসলিম দেশগুলোর পারস্পরিক আত্মরক্ষার ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি এটিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থায় অন্যদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন