প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পাকিস্তান আবারও আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও সামরিক ঘাঁটিতে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চল দিয়ে একের পর এক ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনার প্রেক্ষিতে আফগান ভূখণ্ডের ১০টি নির্দিষ্ট স্থানে এই পাল্টা হামলা কার্যকর করা হয়।
এই তথ্য বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দ্বারা প্রকাশিত হয়েছে। দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পাকিস্তানি তথ্যমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, দেশের আত্মরক্ষা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য পাকিস্তান আফগানিস্তানে ড্রোন সংরক্ষণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত ১০টি আস্তানায় পরিকল্পিত ও সুনির্দিষ্ট হামলা চালিয়েছে।
এর আগে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তানি বাহিনী আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানের আকাশসীমায় ঢুকতে যাওয়া আটটি ড্রোন ধ্বংস করে। এই ড্রোনগুলো তোরখাম সীমান্ত ও কোহাটের পাহাড়ি এলাকায় ভূপাতিত করা হয়। এর পরপরই ইসলামাবাদ আফগান ভূখণ্ডে এই শক্তিশালী সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
পাকিস্তান অভিযোগ করেছে, তালেবান সরকারকে বারবার অনুরোধ করার পরও আফগান মাটিতে সক্রিয় সন্ত্রাসী আস্তানা ও তাদের সহযোগী নেটওয়ার্কগুলো ধ্বংস করা হয়নি। বরং আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে পাকিস্তানের ভেতরে শত্রুতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
আতাউল্লাহ তারা সতর্ক করে বলেছেন, যেকোনো পক্ষ থেকে সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। যদিও তিনি উল্লেখ করেছেন যে পাকিস্তান আঞ্চলিক শান্তি ও সংলাপে বিশ্বাস করে এবং আফগান তালেবান সরকারকে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও টেকসই ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আফগানিস্তানের নানগারহার প্রদেশের বিহসুদ জেলার একটি আবাসিক এলাকায় গত ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের বিমান হামলার পর হতাহতদের উদ্ধারকাজে ব্যস্ত স্থানীয় জনতা। ছবি: এএফপি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন