প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ভারতের উত্তর প্রদেশে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে দীপাবলি ও হোলি উৎসবের প্রেক্ষাপটে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ঘোষণা করেছেন যে, উজ্জ্বলা যোজনার আওতাভুক্ত যোগ্য পরিবারগুলোকে বিনামূল্যে একটি এলপিজি সিলিন্ডার দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজ্যে ১ কোটি ৮৯ লাখের বেশি উপকারভোগীর মধ্যে এলপিজি সিলিন্ডার রিফিলের ভর্তুকি বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন।
উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় যোগ্য পরিবারগুলোকে সিলিন্ডার রিফিলের ভর্তুকি দেওয়ার জন্য ১ হাজার ৫০০ কোটি রুপি বরাদ্দ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে আদিত্যনাথ গৃহস্থালি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এবং কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া ভর্তুকির হিসাব তুলে ধরেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘একটি গৃহস্থালি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৯৮৩ দশমিক ৪৫ রুপি। এর মধ্যে ভারত সরকার ৩৩৫ রুপি ভর্তুকি দেয়। আপনাদের নিজেদের পকেট থেকে খরচ করতে হয় ৬৪৮ দশমিক ৫৫ রুপি।’
মুখ্যমন্ত্রী জানান, উজ্জ্বলা যোজনার আওতাভুক্ত দরিদ্র পরিবারগুলোকে দীপাবলি ও হোলি উপলক্ষে একটি করে সিলিন্ডার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।
তিনি বলেন, ‘আপনারা যে অর্থ সাশ্রয় করবেন, তা দিয়ে দীপাবলির মিষ্টি ও প্রদীপ কিনতে পারবেন।’
বর্তমান সরকারের সময়ে এলপিজি সংযোগ পাওয়ার সুযোগের সঙ্গে কংগ্রেস সরকারের আমলের পরিস্থিতির তুলনা করেন আদিত্যনাথ।
তিনি মন্তব্য করেন, ‘কংগ্রেস সরকারের আমলে একটি গ্যাস সংযোগ পেতেও নানা ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে হতো। আমরা দরিদ্র পরিবারগুলোকে বিনামূল্যে গ্যাস সংযোগ দিয়েছি, আর এটাই সুশাসন।’
এদিকে, মঙ্গলবার আদিত্যনাথ আগামী ৭ নভেম্বর অযোধ্যায় অনুষ্ঠেয় দীপোৎসবকে সামাজিক ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। তার মতে, ধর্মীয় বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে একত্র করে এ উৎসব।
অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি পর্যালোচনায় মুখ্যমন্ত্রীর অযোধ্যা যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে যোগী বলেন, অতীতে জাতপাতের বিভাজনকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০১৭ সালে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে শুরু হওয়া দীপোৎসব অযোধ্যার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে পরিণত করেছে।
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন মানুষের হাতে প্রদীপ জ্বলে, কিন্তু তার আলো পুরো সমাজকে এক করে। দীপোৎসবের বার্তা এটাই।’
যোগী আরও বলেন, ‘জাতপাতের কঠোর বিভাজন সমাজকে ভাগ করে, আর অভিন্ন বিশ্বাস ও সংস্কৃতি সমাজকে এক সুতোয় গেঁথে রাখে। শ্রী অযোধ্যার দীপোৎসব এই সামাজিক ঐক্যের উজ্জ্বল উদাহরণ। ২০১৭ সালের আগে যেসব সরকার জাতপাতের বিভাজনকে রাজনীতির ভিত্তি করেছিল, তারা সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার এই সাংস্কৃতিক শক্তিকে পুরোপুরি উপেক্ষা করেছিল। ২০১৭ সালে দীপোৎসব শুরু করে ডাবল ইঞ্জিন সরকার সেই মানসিকতার পরিবর্তন ঘটিয়েছে এবং রামনগরীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সবার উৎসবে পরিণত করেছে।
সূত্র: এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন