প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে, গ্রাম্য বিরোধের কারণে বাড়ি থেকে চলাচলের একমাত্র রাস্তায় বেড়া দ্বারা দুটি পরিবারের নারী-শিশুসহ ১১ সদস্যকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে মো. শাহিন সরকার নামের এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে।
এটি বুধবার (২৯ জুলাই) উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় ঘটে। এই পরিস্থিতিতে চলাচলের একমাত্র রাস্তায় বেড়া দেওয়ার ফলে সকাল থেকে ভুক্তভোগী দুটি পরিবারের সদস্যরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় বাড়ির বাইরেও যেতে পারছেন না। বিদ্যালয়ে যেতে পারেনি ওই পরিবারের শিক্ষার্থীরা। এমনকি প্রয়োজনীয় সাংসারিক সামগ্রী কেনার জন্যও কেউ বের হতে পারছেন না।
ভুক্তভোগী পরিবার প্রধান মো. জমশেদ আলী মোল্লা অভিযোগ করেছেন যে, তাদের প্রতিকার পেতে সরকারি দপ্তরে অভিযোগ দিতে পারছেন না। তিনি বলেন, “অবরুদ্ধকারী প্রভাবশালী হওয়ায় পরিবারের সব সদস্য নিয়ে আমি চিন্তিত।”
জানা গেছে, উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে ঈদগাহ মাঠে চলছে প্রাচীর নির্মাণের কাজ। এই নির্মাণ কাজের কারণে গ্রামবাসী দুইভাগে বিভক্ত হয়েছে। এক পক্ষের সমর্থক জমশেদ আলী এবং অন্য পক্ষের সমর্থক প্রভাবশালী শাহিন সরকার গ্রামের নিকটতম প্রতিবেশী। ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর নির্মাণে শাহিন সরকারের মতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে জমশেদ আলী মোল্লার পরিবার। এই নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে।
এর কারণে, প্রভাবশালী শাহিন সরকার জমশেদ আলীর পরিবারের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন। সকাল ৮টার সময় শাহিন সরকার দলবল নিয়ে এই কাজটি করেন। সে কারণে সকাল থেকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভুক্তভোগী দুটি পরিবারের নারী-শিশুসহ ১১ সদস্য অবরুদ্ধ রয়েছে।
দুটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করার বিষয়ে প্রভাবশালী শাহিন সরকার জানিয়েছেন, “আমার জায়গা আমি বেড়া দিয়েছি। কারণ জমশেদ আলীর চলাচলের পথে আমার জমির ফসল নষ্ট হয়। এজন্য এক পাশে বেড়া দিলেও অন্য পাশে চলাচলের আরেকটি রাস্তা রয়েছে। তারা সেখান দিয়ে চলাচল করুক।”
কিন্তু ভুক্তভোগী জমশেদ আলী মোল্লা অভিযোগ করেছেন, “মূলত বেড়া দেওয়া রাস্তাটি কিছু অংশ আমারও আছে। বহু বছর যাবৎ আমি এই রাস্তা দিয়েই চলাচল করে আসছি। আজ শাহিন সরকার প্রভাবশালী হওয়ার কারণে যাকে কারণে জোর করে বেড়া দিয়ে আমাদের দুটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। এটি অন্যায়।”
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেছেন, “আসলে আমি এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন