প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চীনের একটি বিজ্ঞানী দলের দ্বারা পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের গভীর সমুদ্রে বিশাল এক খনিজ ভান্ডারের সন্ধান পাওয়া গেছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, নতুন আবিষ্কৃত এই অঞ্চলে স্বর্ণ ও রূপার উপস্থিতি স্থলভাগের অনেক খনির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
‘সিয়াংইয়াংহং ১০’ গবেষণা জাহাজ থেকে ১৮ দিনের অভিযানে এই খনিজ ক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া যায়, যা চীনের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিটার গভীরে অনুসন্ধান চালানোর জন্য ডুবোযানের সাহায্য নেওয়া হয়।
অভিযানের সময় হাইড্রোথার্মাল ভেন্ট বা উত্তপ্ত সামুদ্রিক জলউৎসের আশপাশ থেকে আকরিকের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা যায়, কিছু নমুনায় প্রতি টন আকরিকে সর্বোচ্চ ১৫ দশমিক ৪ গ্রাম স্বর্ণ এবং ১ হাজার ২৭১ গ্রাম রূপার উপস্থিতি রয়েছে।
গবেষকদের মতে, এই খনিজ ভান্ডারে স্বর্ণ ও রূপার পাশাপাশি তামা, দস্তা এবং বিপুল পরিমাণ পলিমেটালিক সালফাইডও রয়েছে। এসব খনিজের ঘনত্ব ও বৈশিষ্ট্য বিশ্বমানের সমুদ্রগর্ভস্থ খনিজ আমানতের সঙ্গে তুলনীয় বলে মনে করা হচ্ছে।
অভিযান চলাকালে গভীর সমুদ্রের এই চরম পরিবেশের আশপাশে বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক প্রাণীর উপস্থিতিও লক্ষ্য করেন গবেষকরা। এর ফলে খনিজ সম্পদের পাশাপাশি গভীর সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য নিয়ে নতুন তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এখনই এসব খনিজ উত্তোলন সম্ভব নয়। সমুদ্রের তলদেশে প্রচণ্ড চাপ, অন্ধকার এবং জটিল পরিবেশের কারণে গভীর সমুদ্র থেকে খনিজ উত্তোলন এখনও বড় ধরনের প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।
বিজ্ঞানীরা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে গভীর সমুদ্রের এই খনিজ সম্পদ নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে কাজে লাগানোর পথ তৈরি হতে পারে।
সূত্র: গ্লোবাল টাইমস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন