প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
১৭ বছর বয়সী কিশোরী নিঝুম খাতুন ১৮ মাস আগে নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার পর তার মা মহেশপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
জিডির পর জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল তদন্তে নামে। তদন্তের ফলে কিশোরী নিঝুম হত্যার ভয়াবহ ঘটনা প্রকাশ পায়।
পুলিশের দাবি, প্রেমের সম্পর্কের কারণে ঝিনাইদহ থেকে পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশী রেলস্টেশন এলাকায় নিঝুমকে নিয়ে যান তার প্রেমিক মাশরিকুল রহমান জিম (২৩)। সেখানে বিয়ের বিষয়ে মতপার্থক্যের কারণে নিঝুমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন প্রেমিক জিম।
পরে অজ্ঞাত মরদেহ হিসেবে উদ্ধার হওয়া কিশোরীর মরদেহ পাবনায় দাফন করা হয়।
পুলিশ জানায়, মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের নিঝুম খাতুন গত বছরের ১৩ মার্চ নিখোঁজ হন।
সেদিনই ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে কথিত প্রেমিক মাশরিকুল রহমান জিম কিশোরী নিঝুমকে পাবনা জেলার ঈশ্বরদীর পাকশী রেলস্টেশনে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে বিয়ের বিষয়ে তর্কের এক পর্যায়ে জিম নিঝুমকে থাপ্পড় মারেন।
এ সময় নিঝুম খাতুন অচেতন হয়ে পড়লে তাকে রেললাইনের পাশে নির্জন জঙ্গলে নিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
গত বছরের ১৭ মার্চ ঈশ্বরদী থানা পুলিশ পাকশী রেলস্টেশন এলাকার একটি নির্জন স্থান থেকে অজ্ঞাত কিশোরীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় ময়নাতদন্ত শেষে পাবনা আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের সহায়তায় মরদেহটি দাফন করা হয়। ওই ঘটনায় ঈশ্বরদী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঝিনাইদহের একটি আদালতে কথিত প্রেমিক মাশরিকুল রহমান জিম আদালতে নিঝুম হত্যার বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার আশিস বিন হাসান বলেন, পুলিশ ও সাইবার ইনভেস্টিগেশন সেলের সমন্বয়ে রহস্য উদঘাটন করে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন