প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাজ্যের পুলিশ জানিয়েছে, প্রবীণ ডানপন্থি রাজনীতিক অ্যান উইডিকম্বকে হত্যার অভিযোগে শনিবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে, এ ঘটনায় আটক করা এক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুলিশের প্রকাশিত তথ্যমতে, ৭৮ বছর বয়সী সাবেক কনজারভেটিভ মন্ত্রী উইডিকম্বকে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের ডেভনের নিজ বাড়িতে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তার দেহে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবরে প্রকাশ, ডেভন অ্যান্ড কর্নওয়াল পুলিশ জানায়, শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ দক্ষিণ ইয়র্কশায়ারের একটি স্থান থেকে ২৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ‘সন্দেহভাজন ব্যক্তি শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশ নাগরিক। বর্তমানে তিনি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।’
পুলিশ আরও জানায়, উইডিকম্বের পরিবারের কাছে এই গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানানো হয়েছে। পূর্বে, শনিবার পুলিশ জানিয়েছিল, শুক্রবার গ্রেফতার হওয়া ২৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে হেফাজত থেকে মুক্ত করা হয়েছে এবং তিনি আর তদন্তের অংশ নন।
পুলিশ কর্তৃপক্ষ বলেছে, ‘এই মুহূর্তে এটি সন্ত্রাসবাদ-সংশ্লিষ্ট ঘটনা—এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তদন্তের নেতৃত্ব আমাদের হাতে রয়েছে।’
ডেভন অ্যান্ড কর্নওয়াল পুলিশের সহকারী প্রধান কনস্টেবল ম্যাট লংম্যান পূর্বে জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, উইডিকম্বের ওপর হামলাটি তার মরদেহ উদ্ধারের ২৪ ঘণ্টা আগে সংঘটিত হয়েছিল।
তিনি জানান, ‘আমাদের ধারণা, ৮ জুলাই বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই হামলাটি সংঘটিত হয়েছিল।’
পুলিশ বলেছে, এ ঘটনায় তারা একজন শ্বেতাঙ্গ পুরুষ সন্দেহভাজনের সন্ধান চালাচ্ছিল। লংম্যান শুক্রবার ঘোষণা করেন, এ ঘটনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ—এমন কোনো তথ্য তার কাছে নেই। তিনি আরও জানান, অ্যান উইডিকম্বের মৃত্যুকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবেও দেখা হচ্ছে না।
তিনি বলেছিলেন, ‘চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে গোয়েন্দারা বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি উদঘাটনে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
উইডিকম্ব ১৯৮৭ থেকে 2010 সাল পর্যন্ত কনজারভেটিভ পার্টির সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি খ্রিস্টীয় বিশ্বাস এবং স্পষ্টভাষী মতামতের জন্য পরিচিত ছিলেন। ১৯৯৫ সালে কারামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে গর্ভবতী বন্দিদের পালাতে না দেয়ার জন্য তাদের শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার নীতিকে সমর্থন করায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন