প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানাচ্ছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এটা ঘোষণা করা হয়েছে যে, শনিবার তারা ইরানের বিরুদ্ধে নতুনভাবে হামলা শুরু করেছে। এই ঘোষণা আসার পেছনে কারণ হলো, তেহরান হরমুজ প্রণালীতে একটি কন্টেইনার জাহাজে ‘প্রকাশ্যে হামলা’ চালানোর ঘটনা।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তাদের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ওয়াশিংটন সময় অনুযায়ী শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময় ২৩১৫) এই হামলা শুরু হয়। সেন্টকমের দাবি, ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সদস্যরা সাইপ্রাসের পতাকাবাহী এক কনটেইনার জাহাজে হামলা চালানোর পরেই মার্কিন অভিযানটি শুরু করা হয়েছে।
প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক এই নৌপথে চলাচলকারী বেসামরিক নাবিক এবং বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর তেহরানের অযৌক্তিক আগ্রাসনের জবাব দিতে যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য হয়ে উঠেছে। ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী (আইআরজিসি) हाल के দিনগুলোতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্র এই সামরিক পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করছে। তারা জানাচ্ছে, এই হামলা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে পরিচালিত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ মন্তব্য করেন, ‘ইরান একটি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন তাদের এর মূল্য দিতে হবে।’
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, ইরানের বিপ্লবী গার্ড হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত।’ খবর অনুযায়ী, আপাতত একটি জাহাজকে লক্ষ্য করে বিপ্লবী গার্ড সতর্কতামূলক গুলি চালিয়েছে। কারণ, তারা অনুমোদনহীন নৌপথ ব্যবহার করেছিল।
সাম্প্রতিক কয়েক দিন ধরেই উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনা আবারও এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, তবে এই সামরিক পদক্ষেপ আরও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে।
চূড়ান্ত সমঝোতার পথে হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ অন্যতম বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তেহরানের দাবি, এই জলপথে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণের অধিকার তাদের রয়েছে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটন অবাধ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আসছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন