প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর পরিচালক জন র্যাটক্লিফ মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকটি রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কায়রো, মিসরের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়।
র্যাটক্লিফের এই বিরল সফরে উপস্থিত ছিলেন মিসরের গোয়েন্দাপ্রধান হাসান রাশাদ। তবে, হঠাৎ করে এই বৈঠকের কারণ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
মিসরের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, বৈঠকে ইরান, গাজা ও সুদানের যুদ্ধ পরিস্থিতি, উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে সিসি আঞ্চলিক সংকটগুলোর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সিসি আঞ্চলিক সংকট নিরসনে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
এর একদিন আগে, শনিবার, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যে ভ্রমণের বিষয়ে মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করে। সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতিদের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দপ্তরটি সতর্ক করে বলেছিল যে, এই সামরিক সংঘাত দ্রুত আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে।
র্যাটক্লিফের কায়রো সফরের কয়েক দিন আগে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান মিসর সফর করেন। সিসির সঙ্গে বৈঠকে তারা ইয়েমেনের হুথিদের আকস্মিক অভিযানে দেশটির উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন নৌ চলাচল নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে মিসর পরিচিত। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার অন্যতম বড় গ্রহীতা। অস্থিতিশীল এই অঞ্চলে নিজেদের স্থিতিশীলতা আনার শক্তি হিসেবে কায়রোকে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে ইসরাইল, হামাস ও ইরানসহ পরস্পরবিরোধী পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের পথও খোলা রেখেছে দেশটি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন