প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আমন্ত্রিত অতিথিরা বঙ্গভবনে আসতে শুরু করেছেন। আমন্ত্রণপত্রের কার্ড হাতে নিয়ে উদ্বিগ্ন অতিথিদের বঙ্গভবনে প্রবেশ করতে দেখা যাচ্ছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হবে। রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় বঙ্গভবনের আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন সড়কগুলিতে ডাইভারশন রাখা হয়েছে। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।
জানা গেছে, বঙ্গভবনের দরবার হলও শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল তাকে শপথ পড়াবেন। পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
প্রথমে জাতীয় সংগীত গাওয়া এবং কোরআন তিলাওয়াতের পর রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথ গ্রহণের পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ বইয়ে সই করবেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে তিনি রাষ্ট্রপতির চেয়ারবিহারে আসীন হবেন।
রাষ্ট্রপতির শপথের পরে নতুন চার সদস্যের মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ এবং বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন। তাদের শপথ খাবার জন্য নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ পড়াবেন।
শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকাও বেশ বড়। এই তালিকায় রয়েছেন মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা, বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা, বিদেশি অতিথি, রাষ্ট্রদূত, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, বিরোধী দলের নেতা ও সংসদ সদস্য, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও।
বঙ্গভবন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১ হাজার ২০০-এর বেশি আমন্ত্রণপত্র বিতরণ করা হয়েছে। দরবার হলে সাধারণ সময়ের তুলনায় এবার আসনসংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। প্রায় ৪০০ জনের বসার ব্যবস্থা থাকলেও এবারের জন্য এটি বাড়িয়ে ৮০০-এর বেশি করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির শপথের পূর্বে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বঙ্গভবনে আসবেন। এরপর নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বঙ্গভবনে প্রবেশ করবেন এবং পরে তাদের দরবার হলে যেতে দেখা যাবে।
শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবনের বাইরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যেও উৎসাহ দেখা গেছে। মূল প্রবেশপথের বাইরে নিরাপত্তার কারণে যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হলেও সেখানে দলের বেশ কিছু নেতাকর্মীকে অবস্থান করতে দেখা গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন