প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের নিকটবর্তী একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এই হামলার সংবাদ প্রকাশিত হয়।
ইরানের স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্ক (এসএনএন) জানায়, হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া জাহাজটি একটি ছোট তেলবাহী জাহাজ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিমের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, জাহাজটিতে চারটি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। হামলার পর জাহাজের নাবিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।
এর আগে, ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি খার্গ দ্বীপের আশপাশে কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর জানিয়েছিল। তবে প্রাথমিকভাবে বিস্ফোরণের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর সামনে আসে।
খার্গ দ্বীপ ইরানের তেল রপ্তানি ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। দেশটির অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ ঐতিহাসিকভাবে এই দ্বীপের টার্মিনালের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে। তাই দ্বীপটির আশপাশে সামরিক কার্যক্রম ইরানের তেল রপ্তানি ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পূর্বে খার্গ দ্বীপ নিয়ে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছিলেন। গত ৩১ আগস্ট তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন যে, দ্বীপটি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তবে তখন যুক্তরাষ্ট্র বা ইরানের পক্ষ থেকে এই দাবির পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক সামরিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
শনিবারের ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। ফলে হামলার পরিস্থিতি, জাহাজটির ক্ষয়ক্ষতি এবং হতাহতের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন