প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষাজালকে শক্তিশালী করা, তদারকি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্যাংক খাতের পুনর্গঠনে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
গতকাল ‘ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের সহজ শর্তে ঋণ প্রদানকারী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইডিএ) মধ্যে এ অর্থায়ন চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে নিজ নিজ পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
প্রকল্পের আওতায় ৩২৮ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) পাওয়া যাবে, যা ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।
প্রকল্পটির প্রধান লক্ষ্য হলো— দেশের আর্থিক খাতের সুরক্ষা জালকে শক্তিশালী করা, আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর তদারকি সক্ষমতা বাড়ানো এবং ব্যাংক খাতের পুনর্গঠনে সহায়তা প্রদান করা।
চুক্তির শর্তাবলীর মধ্যে রয়েছে, উত্তোলিত ঋণের স্থিতির ওপর বার্ষিক ১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি, অনুত্তোলিত অর্থের ওপর বার্ষিক সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট ফি প্রযোজ্য হবে।
ইআরডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবছরসহ দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশকে এ প্রতিশ্রুতি ফি থেকে অব্যাহতি দিয়ে আসছে বিশ্বব্যাংক।
ঋণটির পরিশোধের মেয়াদ ২৫ বছর, যার মধ্যে পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড বা ঋণ পরিশোধে রেয়াতি সময় রয়েছে।
ইআরডি জানায়, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের বৃহত্তম বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী। সংস্থাটির অর্থায়ন বিভিন্ন ক্ষেত্রে, যেমন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জ্বালানি খাতের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সর্বশেষ এ অর্থায়ন চুক্তিটি বাংলাদেশের আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা শক্তিশালী করার জন্য বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে চলমান সহযোগিতার প্রতিফলন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন