প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মাদারীপুর সদর মডেল থানার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যাওয়া নারী আসামি হাসিনা বেগমকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার ভোরের দিকে রাজধানী ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত হাসিনা বেগম (৩৫) মাদারীপুর পৌরসভাধীন থানতলী এলাকার হবি হাওলাদারের মেয়ে এবং সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল আমিনের স্ত্রী।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে হাসিনা বেগমকে আটক করেন সদর মডেল থানাধীন ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মোকসেদুর রহমান। পরে তাকে সদর মডেল পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মূল থানার ভবনটি নির্মাণাধীন থাকায় অস্থায়ীভাবে ওসির বাসভবনের নিচতলায় থানার কার্যক্রম চলছে। সেখানে আসামিদের জন্য কোন হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে হাসিনাকে রাখা হয়। রাত দেড়টার সময় সুযোগ বুঝে হাসিনা ওই কক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায়। পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি পালানোর ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) রমজান আলী সজল ও একজন কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে, আসামি পালানোর ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সর্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যে পালিয়ে যাওয়া আসামি হাসিনা বেগমকে শনিবার ভোরে রাজধানী ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করে সদর মডেল থানার পুলিশ।
মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘পালিয়ে আসামিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে। আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দায়িত্ব অবহেলার কোন ঘটনা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে ডিউটি অফিসার ও কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন