প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
জিনেদিন জিদানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল ফ্রান্স জাতীয় দলের কোচ হওয়া। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই কিংবদন্তির সেই স্বপ্ন ২০২৬ বিশ্বকাপের পর দিদিয়ের দেশমের বিদায়ের পর পূরণ হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর জিদান তার প্রথম ম্যাচে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।
উয়েফা নেশন্স লিগের প্রথম রাউন্ডে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে তুরস্ককে তাদের মাঠে ১-০ গোলে পরাজিত করেছে ফ্রান্স। এই জয়ের মাধ্যমে ৩২ বছর পর ফ্রান্সের কোনো কোচ হিসেবে অভিষেক ম্যাচে জয় লাভ করলেন জিদান।
এর আগে সর্বশেষ ১৯৯৪ সালে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে আইমে জ্যাকে নিজের প্রথম ম্যাচে জয় লাভ করেছিলেন। ওই বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি নেপলসে ইতালিকে ১-০ গোলে পরাজিত করেছিল ফ্রান্স। ম্যাচটির একমাত্র গোলটি করেছিলেন জিদানের সাবেক সতীর্থ ইউরি জর্কেফ।
জ্যাকে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে জিদানের আগমন পর্যন্ত ফ্রান্সের জাতীয় দলের দায়িত্বে ছিলেন আরও পাঁচ কোচ। ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘লেকিপে’র তথ্য অনুযায়ী, তাদের কেউই প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে শুরু করতে পারেননি।
১৯৯৮ সালে রজার লেমেরের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রিয়ার সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে ফ্রান্স। ২০০২ সালে জ্যাক সান্তিনির অভিষেক ম্যাচেও তিউনিসিয়ার বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করে দলটি। ২০০৪ সালে রেমন্ড ডোমেনেখের প্রথম ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনিয়ার সঙ্গে একই ব্যবধানে ড্র করে ফ্রান্স।
এরপর ২০১০ সালে লরাঁ ব্লাঁর অধীনে প্রথম ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে পরাজিত হয় ফ্রান্স। ২০১২ সালে দিদিয়ের দেশমের অভিষেকও জয় দিয়ে হয়নি, উরুগুয়ের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করে ফ্রান্স।
জিদানের জন্য এই অভিষেকের সঙ্গে রয়েছে একটি বিশেষ ঐতিহাসিক যোগসূত্র। ১৯৯৪ সালের আগস্টে চেক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ম্যাচে ফ্রান্সের জার্সিতে প্রথমবার মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। সেই ম্যাচে জাতীয় দলের কোচ ছিলেন আইমে জ্যাকে, যিনি এর আগে ফ্রান্সের কোচ হিসেবে অভিষেকে জয় পেয়েছিলেন।
নিজের অভিষেক নিয়ে ম্যাচ শেষে আবেগের কথা জানিয়েছেন জিদান। তবে তিনি খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা ও মাঠের পারফরম্যান্স ধরে রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
টিএফ১-কে জিদান বলেন, "অনেক আবেগ কাজ করছে। এটি প্রথম ম্যাচ, আর জয় দিয়ে শুরু করা কখনোই সহজ নয়, বিশেষ করে তুরস্কের মাঠে। আমার মনে হয়, আমাদের যে ধরনের ম্যাচ খেলা দরকার ছিল, আমরা সেটাই খেলেছি। আমরা প্রতিপক্ষকে খেলতে দিইনি।"
তিনি আরও বলেন, "বেশ উঁচু জায়গা থেকে তাদের প্রেস করেছি এবং বল পুনরুদ্ধারের সময় ছিলাম খুবই আগ্রাসী। বল পায়ে থাকলে কী করতে হবে, সেটিও আমরা ঠিকভাবে করতে পেরেছি।"
মাত্র সাড়ে তিনটি অনুশীলন সেশন একসঙ্গে করার পরও দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট জিদান। তার ভাষায়, "আমরা মাত্র সাড়ে তিনটি অনুশীলন সেশন একসঙ্গে করেছি। তারপরও আমি অনেক ইতিবাচক দিক দেখেছি। এটি খুবই উৎসাহব্যঞ্জক। খেলোয়াড়রা যা করেছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট। আর এই অভিষেকটা এভাবে হওয়ায় আমি খুশি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন