প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রক্তে কোলেস্টেরলের উচ্চ মাত্রা হৃদ্রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। তবে, অনেকের জন্য খাবারের ধরন ও অভ্যাস পরিবর্তন করে কোলেস্টেরল কমানো সম্ভব। বিশেষ করে, মাংসের পরিমাণ কমিয়ে শাকসবজি, ফল এবং পূর্ণ শস্যের পরিমাণ বাড়ালে মোট কোলেস্টেরলের মাত্রা ২৫ শতাংশ বা তারও বেশি কমানো যেতে পারে।
কেবল একটি খাবার বাদ দেওয়ার পরিবর্তে, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর চর্বি, আঁশ এবং উদ্ভিদজাত উপাদানের পরিমাণ বৃদ্ধি করাও গুরুত্বপূর্ণ। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খাদ্যে চারটি পরিবর্তন আনা যেতে পারে।
স্বাস্থ্যকর চর্বি বেছে নিন
শরীরের জন্য সব ধরনের চর্বি ক্ষতিকর নয়। বেশিরভাগ উদ্ভিজ্জ তেলে থাকা অসম্পৃক্ত চর্বি হৃদ্যন্ত্রের জন্য তুলনামূলকভাবে ভালো। তাই খাদ্যে এই ধরনের চর্বির উৎস রাখা যেতে পারে।
তৈলাক্ত মাছ, বাদাম, বীজ এবং কিছু সবজিতে স্বাস্থ্যকর চর্বি পাওয়া যায়। অন্যদিকে, সম্পৃক্ত চর্বি বেশি রয়েছে এমন খাবার যতটা সম্ভব কম খাওয়া উচিত।
প্রয়োজনীয় ও সুস্বাদু স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত কিছু খাবারের তালিকা নিচে দেওয়া হলো-
খাবারে বাড়ান দ্রবণীয় আঁশ
দ্রবণীয় আঁশ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে। ওটস, বিভিন্ন ফলমূলে এবং শাকসবজিতে এ ধরনের আঁশ পাওয়া যায়। যেমন-
স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাদ্যতালিকার সঙ্গে নিয়মিত দ্রবণীয় আঁশযুক্ত খাবার রাখলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়ক হতে পারে।
উদ্ভিদজাত বিশেষ উপাদান রাখুন
উদ্ভিদে প্রাকৃতিকভাবে থাকা কিছু উপাদান শরীরে কোলেস্টেরল শোষণের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এগুলো উদ্ভিদ স্টেরল ও স্ট্যানল নামে পরিচিত।
কোলেস্টেরলের গঠনে মিল থাকায় এসব উপাদান খাবারের মাধ্যমে শরীরে গেলে কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দিতে পারে। বর্তমানে কিছু খাবারে এসব উপাদান যোগ করা হয়। যেমন- বিভিন্ন ধরনের মাখনজাত খাবার, ফলের রস এবং দইয়ে এগুলো পাওয়া যায়।
সবার জন্য একই খাদ্যতালিকা নয়
কেউ যদি কোনো বিশেষ খাদ্যতালিকা অনুসরণ করে কোলেস্টেরল কমাতে সক্ষম হন, সেটি নিজের জন্য অনুসরণ করা সবসময় কার্যকর নাও হতে পারে। কারণ, মানুষের শারীরিক গঠন এবং বংশগত বৈশিষ্ট্যের পার্থক্যের কারণে একই খাবারে সবার শরীর একইভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় না।
তাহলে, একটি খাদ্যতালিকা অনুসরণ করে কয়েক মাস পরও কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলে হতাশ হওয়ার প্রয়োজন নেই। নিজের শরীরের সঙ্গে মানানসই খাদ্যাভ্যাস খুঁজে পেতে একাধিক পদ্ধতি চেষ্টা করা প্রয়োজন হতে পারে।
খাবারের পরিবর্তন অনেকের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, আবার কারও ক্ষেত্রে এর প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার পরও যদি কোলেস্টেরল কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় না আসে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে। তবে স্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস বজায় রাখলে অনেক ক্ষেত্রে ওষুধের প্রয়োজনীয় পরিমাণও কম হতে পারে।
সূত্র: হার্ভার্ড
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন