প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে আদালত আবারও চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন এ রিমান্ডের আদেশ প্রদান করেন।
পুলিশ ইতিমধ্যে এই মামলায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বৃহস্পতিবার আবারও সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামির জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, মৃত নারী খুবই আবেগী ছিলেন। তিনি অভিমানে আত্মহত্যা করেছেন এবং পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে বলে আসামি দাবি করেছেন। মামলাটি চাঞ্চল্যকর এবং এর মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আসামিকে আরও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের জন্য আসামিকে পুনরায় সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়া অপরিহার্য।
এর আগে, ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মৃত মরিয়ম খাতুনের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ শেরে বাংলা নগর থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন। মামলায় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং শ্যালক ওবায়দুর রহমান—এই তিনজনকে আসামি করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর, ২১ সেপ্টেম্বর গাজী নজরুলের চার দিন এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের এক দিন রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। রিমান্ড শেষে ২২ সেপ্টেম্বর মাকসুদাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এই মামলায় গ্রেপ্তারের পর ২৩ সেপ্টেম্বর মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন