প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় অবহেলার অভিযোগ ওঠার পর সাংবাদিকদের উদ্দেশে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের চিকিৎসক ডা. খাইরাতুন হিসান কেয়া।
বুধবার (৭ অক্টোবর) তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে একটি ফেসবুক পোস্টে আগের মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে ডা. কেয়া লেখেন, ‘এখন থেকে ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন।’ তার এই মন্তব্যের কারণে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে সমালোচনা শুরু হয়।
পরদিন দেওয়া পোস্টে, আগের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ডা. কেয়া জানান, তার মন্তব্যটি সকল সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে ছিল না। তিনি দাবি করেন, শব্দচয়নে ভুলের কারণে এমনটি ঘটেছে।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘সকল সাংবাদিক ভাইদের বলছি, আমার পূর্বের পোস্টে ভুলবশত সকল সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে যে লেখাটা লিখেছি, সেটার জন্য দুঃখিত। শব্দচয়নে ভুলবশত এমন হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, তার ওই পোস্টটি শুধুমাত্র কয়েকজনকে উদ্দেশ্য করে ছিল, যারা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তিনি সকলকে এক কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে চাননি বলেও উল্লেখ করেন।
এর আগে, চৌদ্দগ্রামে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তুলে স্থানীয় সাংবাদিকরা সংবাদ প্রকাশ করেন। এ ঘটনায় এশিয়া পোস্টের ওয়েবসাইট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপরই সাংবাদিকদের উদ্দেশে ওই ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেন ডা. কেয়া।
সম্প্রতি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার খামার পুষ্করণী গ্রামের প্রসূতি নাজমা আক্তারের সন্তান প্রসবের ঘটনায় ডা. কেয়ার বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ করেন তার স্বজনরা।
স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা করা হলেও একপর্যায়ে নবজাতকের মৃত্যু ঘটে। তারা দাবি করেন, নবজাতকের মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। পরে প্রসূতি নাজমাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুমিল্লা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ডা. কেয়া। সাংবাদিকদের তিনি জানান, তিনি স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা করেছিলেন এবং রোগীর অবস্থা ভালো না থাকায় দ্রুত তাকে কুমিল্লা শহরে পাঠিয়ে দেন। নবজাতকের মৃত্যু ও মাথায় আঘাতের বিষয়ে জানতে চাইলে রোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলার কথা জানান এই চিকিৎসক।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল এশিয়া পোস্টকে বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন