প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বাগদাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বাড়ানোর লক্ষ্যে ইরানের প্রভাব কমানোর মধ্যে মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি।
এ সফর মার্কিন ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটের মধ্যে হচ্ছে। উভয় দেশই ইরাকের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বাগদাদ থেকে এ খবর এসেছে।
ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার কারণে ইরাক বহুদিন পরোক্ষ সংঘাতের ক্ষেত্র হয়ে রয়েছে। এর ফলে দুই প্রতিপক্ষের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা দেশটির ধারাবাহিক সরকারগুলোর জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।
জাইদি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম আন্তর্জাতিক সফরে সোমবার ওয়াশিংটনে পৌঁছান। তিনি এক সপ্তাহের এই সফরে ট্রাম্প, মার্কিন কর্মকর্তাদের এবং তেল কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিতে আগত জাইদি চলতি বছর ট্রাম্পের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী হন, যখন ট্রাম্প অন্য এক প্রার্থীর মনোনয়ন নাকচ করেন। তিনি ইরাকের দুর্বল অর্থনীতি শক্তিশালী করার এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সফরের পূর্বে ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক নিবন্ধে জাইদি উল্লেখ করেছেন, তিনি এমন একটি সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যে সরকার ‘রাষ্ট্রের হাতে বৈধভাবে শক্তি প্রয়োগের একচ্ছত্র অধিকার নিশ্চিত করতে’ অঙ্গীকারবদ্ধ।
ওয়াশিংটনের মতে, সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে তার সরকার ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিরস্ত্র হওয়ার সময়সীমা দিয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জঙ্গিবিরোধী জোটের মিশনও শেষ হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে, জন জ্যেষ্ঠ ইরাকি রাজনীতিক এএফপিকে জানান, বর্তমান সরকার অর্থনীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আরও ইতিবাচক অবস্থান গ্রহণ করলেও, ‘এর অর্থ এই নয় যে ইরাক ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ইরাককে দীর্ঘদিনের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে তার দুই মিত্রের মধ্যে।
গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় তেহরানে নিহত আলী খামেনির বিশাল জানাজা অনুষ্ঠিত হয় ইরাকের পবিত্র শহরগুলোতে। এই শহরগুলো শিয়া ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর জন্য পরিচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন