প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায়, টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পরিস্থিতির অবনতি ঘটার ফলে জেলা প্রশাসন সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে, তবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত। খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি ওঠায়, ঘোষণার আগেই সাজেক ভ্যালিতে প্রায় পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন।
এ অবস্থায় আটকে পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে স্থানীয় রিসোর্ট মালিকরা ভাড়া না নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
টানা ভারী বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলের ফলে খাগড়াছড়ির মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, যার কারণে সাজেকে যাতায়াতের একাধিক সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। একই কারণে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিনের টানা ভারী বৃষ্টির ফলে মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা ও লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়াও কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধস সংঘটিত হয়েছে এবং কোথাও কোথাও সড়কের মাটি সরে যাওয়া ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এদিকে, মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লংগদু-দীঘিনালা সড়কের মেরুং এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। একই সময়ে, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের নানিয়ারচরের কেঙ্গেলছড়ি এলাকাতেও সড়কের ওপর পানি ওঠায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কিছু স্থানে হাঁটুসমান পানি জমে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বেড়েছে।
সাজেক কটেস অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ সাজেকের দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক (যুবরাজ) জানান, বাঘাইহাট ও মাচালং এলাকার নিচু স্থানে সড়কে পানি উঠায় সাজেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকে পড়েছেন। সমিতির পক্ষ থেকে আটকে পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে শুধুমাত্র পানি এবং ইউটিলিটি বিল নেওয়া হবে। এছাড়াও, খাবার দোকানগুলো সীমিত খরচে উদ্ধারকৃত পর্যটকদের খাবারের ব্যবস্থা করবে।
বৃষ্টিপাত যদি এভাবে অব্যাহত থাকে, তাহলে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে পারে। তাই, প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন