প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকা সম্পর্কে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বৃক্ষরোপণ, সবুজায়ন ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার সার্বিক অবস্থার সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে তিনি নিজে গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে, তিনি কিছু অঞ্চলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নগর সেবার পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তার সঙ্গে উদ্ভূত সমস্যাগুলোর চিহ্নিতকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও দায়িত্বরতদের দ্রুততা এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আজ বিকেলে হঠাৎ করেই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে নিজের বাসভবনে ডেকে নেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তাদের সঙ্গে নিয়ে বিকেল সাড়ে ৩টায় তিনি সরেজমিন নগর পরিদর্শনে বের হন।
প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শনের পুরো সময়টি নিজেই গাড়ি চালিয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন রুট প্রদক্ষিণ করেন। তার পরিদর্শনের রুটের মধ্যে ছিল–ইসিবি চত্বর, মিরপুর ডিওএইচএস, দিয়াবাড়ি, উত্তরা (সেক্টর ৩, ৪, ৫ ও ৬), এয়ারপোর্ট রোড, কাকলী মোড়, মহাখালী, ফার্মগেট, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, সলিমুল্লাহ রোড, ইকবাল রোড, তাজমহল রোড, জাপান গার্ডেন সিটি, শ্যামলী মোড়, গণভবন মোড়, জিয়া উদ্যান, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, মিরপুর-১০, কচুক্ষেত, ঢাকা সংলগ্ন ক্যান্টনমেন্ট এলাকা, সৈনিক ক্লাব, কাকলী ও বনানী। দীর্ঘ রুট পরিদর্শন শেষে তিনি গুলশানের বাসভবনে ফিরে আসেন।
এ সময় তিনি নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থা, ড্রেনেজ বা পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং সড়কের পাশে ও আইল্যান্ডে বৃক্ষরোপণ এবং সবুজায়নের বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব মেহেদুল ইসলাম এবং সহকারী একান্ত সচিব আব্দুর রহমান সানী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন