প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
গাজায় ইসরায়েলি হামলার ঘটনায় অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্যানুসারে, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) একাধিক বিমান হামলা এবং ট্যাংকের গোলার কারণে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, গাজা সিটির উত্তরাঞ্চলের তুফ্ফাহ এলাকায় একটি বিমান হামলায় দুজন নিহত হন। এছাড়া গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের একটি তাঁবুতে হামলায় একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন। শহরের পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি ট্যাংকের গোলায় আরও একজন নিহত হন। দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসে একটি গাড়িতে হামলায় প্রাণ হারান আরও একজন।
গত অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাস যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও হামলা বন্ধ হয়নি। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরেও ইসরায়েলি হামলায় এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
একই সাথে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশে কঠোর বিধিনিষেধ বহাল থাকায় মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
যুদ্ধবিরতি সম্পর্কে নিহত এক ব্যক্তির স্বজন জিবরিল খাত্তাব মন্তব্য করেছেন, ‘গাজার মানুষ একটি দিনও প্রকৃত যুদ্ধবিরতি দেখেনি। এই যুদ্ধবিরতি কেবল একটি মরীচিকা। গাজার কোথাও নিরাপদ নয়।’
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়নি। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার এখনও পর্যন্ত পুনর্গঠনের অনুমতি দেয়নি।
আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের আশঙ্কা, ক্ষমতা ধরে রাখার লক্ষ্যেই নেতানিয়াহু গাজায় সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে পারেন।
বিশ্লেষকদের মতে, গাজা পুনর্গঠনে অন্তত ১০ বছর সময় ও ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ব্যয় হতে পারে। তবে ইসরায়েলের নির্বাচন শেষ হওয়ার আগে পুনর্গঠন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও তা দেরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন