প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার মারিয়ালয়-মোকামখোলা খালের প্রায় ৬ কিলোমিটার পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ প্রকল্পটি, যা দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যাশিত ছিল, বাস্তবায়নের ফলে জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে স্থানীয়রা আশা করছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতো না। এর ফলে আশপাশের ফসলি জমি ও বসতবাড়িতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ বাড়ত। তবে খালটি পুনঃখননের ফলে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হওয়ার মাধ্যমে এ সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে বলে তাদের প্রত্যাশা রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, খালে সারা বছর পানি সংরক্ষণের সুযোগ তৈরি হওয়ায় কৃষকরা সহজেই সেচ সুবিধা পাবেন। এই কারণে কৃষি উৎপাদন বাড়বে, বহুমুখী ফসল চাষের সম্প্রসারণ ঘটবে এবং কৃষকদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একই সাথে, মৎস্যসম্পদের বিকাশ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় পরিবেশের উন্নয়নেও খালটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, খাল পুনঃখননের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ, নৌ চলাচলের সম্ভাবনা বৃদ্ধি এবং এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও বাড়বে। ভবিষ্যতে এ খালকে কেন্দ্র করে পর্যটন ও বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় ‘সারাদেশে পুকুর ও খাল উন্নয়ন’ প্রকল্পের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব উপায়ে খননকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মোয়াজ্জেম বলেছেন, দ্রুত কাজ সম্পন্ন করে খালটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি উপযোগী করে তোলার লক্ষ্যে কাজ চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মারিয়ালয়-মোকামখোলা খাল পুনঃখনন শুধু একটি অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প নয়; এটি এলাকার কৃষি, পরিবেশ, অর্থনীতি ও জনজীবনের সার্বিক উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন