প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (কপাবিকে) স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট ১০৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ধরে খোলা রাখার পর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
কাপ্তাই লেকের পানির উচ্চতা নিরাপদ সীমানায় নেমে আসার কারণে বুধবার (২২ জুলাই) রাত ১১টার দিকে সমস্ত জলকপাট পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, টানা চার দিন ধরে স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট দিয়ে নিরবচ্ছিন্ন পানি নিষ্কাশন হওয়ায় লেকের পানির স্তর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। বুধবার রাত ১১টায় লেকের পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১০৩ দশমিক ২৬ ফুট মিন সি লেভেল (এমএসএল)। জলকপাটগুলো বন্ধ হলেও বর্তমান বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি উৎপাদন ইউনিট থেকে গড়ে ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে, কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা যখন ১০৪ দশমিক ০৮ ফুট এমএসএলের পর্যায়ে পৌঁছায় এবং বিপজ্জনক গতিতে চলে আসে, তখন শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টা ২০ মিনিটের সময় স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়েছিল।
এর ফলে টানা ১০৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ধরে প্রতি সেকেন্ডে গড়ে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কাপ্তাই লেক থেকে কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশিত হয়। এতে পানির উচ্চতা সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কর্তৃপক্ষ জলকপাটগুলো বন্ধ করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন