প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্ব চিরকাল অবিচল থাকবে।
তিনি উল্লেখ করেন, "শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত আদান-প্রদানের মাধ্যমেই দুই দেশের এই ঐতিহাসিক সংযোগকে আরও দীর্ঘস্থায়ী করা সম্ভব।"
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘সেকেন্ড চায়না-বাংলাদেশ রাউন্ডটেবল অন গভর্নেন্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এই কথা বলেন।
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সুনীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে।
শিক্ষামন্ত্রী ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক সুবিধার কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৫ শতাংশই কর্মক্ষম তরুণ। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে কারিগরি শিক্ষায় (টিভিইটি) দক্ষ করে আন্তর্জাতিকমানের মানবসম্পদে রূপান্তর করাই সরকারের মূল অগ্রাধিকার।
সম্প্রতি চীন সফরকালে ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়ার গভীর সম্পর্ক দেখে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার দেশের কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্বমানের করার উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি চীনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সাথে সমঝোতা স্মারকও (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এ সময় আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, শিক্ষা খাতে বাজেট জিডিপির ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে পর্যায়ক্রমে ৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা রয়েছে, যার বড় অংশ ব্যয় হবে কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে।
এ ছাড়া বঙ্গোপসাগরের অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্পদকে কাজে লাগাতে একটি বিশেষায়িত ‘সার্কুলার ইকোনমি’ বা সুনীল অর্থনীতিভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শাওপেং ও সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. লি কাইশেং বক্তব্য রাখেন।
সূত্র: বাসস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন