প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, দেশের সব ডিপ ও শ্যালো সেচ পাম্পকে পর্যায়ক্রমে সোলারে রূপান্তরিত করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) যশোর সদর উপজেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিসের যৌথ আয়োজনে নদীয়ার মোড়, বর্মনপাড়া ও চাঁচড়া এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার কর্মসূচি নিয়ে আয়োজিত উঠান বৈঠকে তিনি এ তথ্য জানান।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাস ও কয়লা আমদানি করতে হয়। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বে প্রতি ইউনিট গ্যাস ৮ থেকে ৯ ডলারে কেনা হলেও বর্তমানে তা ২৮ ডলারে পৌঁছেছে। এই কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাময়িক সমস্যা দেখা দিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর দেওয়া। তিনি জানান, রোদ, বাতাস ও পানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সেচ মৌসুমে ডিজেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে কৃষকদের সেচব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এই কারণে বিদ্যুৎ ও ডিজেলচালিত সব সেচ পাম্পকে ধাপে ধাপে সোলার পাম্পে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে কৃষকরা বিদ্যুৎ ঘাটতি ও ডিজেলের উচ্চ মূল্যের মধ্যে সাশ্রয়ী খরচে সেচ সুবিধা পেতে পারেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, যশোর সদরের লেবুতলা ইউনিয়নে ইতোমধ্যে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে। সেখানে সৌরশক্তিচালিত একটি পাম্পের মাধ্যমে ৫০ থেকে ৬০ বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
প্রথম ধাপে বরেন্দ্র প্রকল্পসহ সারা দেশে প্রায় ৩৬ হাজার সেচ পাম্প চিহ্নিত করে সোলারে রূপান্তরের কাজ শুরু হবে। এ জন্য সরকার নিজস্ব বাজেট অথবা বৈদেশিক সহায়তা থেকে অর্থের সংস্থান করবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন।
এ সময় সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত অগ্রাধিকার কর্মসূচি ও স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও এলাকার সাধারণ মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন। সূত্র: বাসস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন