প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের দুটি পৃথক কয়লাখনিতে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণ ও ধসে ৩৫ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনার ফলে এখনো অন্তত ৮ জন শ্রমিক নিখোঁজ অবস্থায় রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটার নিকটবর্তী সোরাঞ্জ নামের এক দুর্গম এলাকায় অবস্থিত খনিটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ৩৪ জন নিহত হন। খনির মালিক কুরবান জোগেজাই জানান, এই বিস্ফোরণের কারণ হলো ভূগর্ভে জমা হওয়া মিথেন গ্যাস। দুর্ঘটনার সময় খনির ভেতরে মোট ৪২ জন শ্রমিক কাজ করে যাচ্ছিলেন।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে কুরবান জোগেজাই বলেন, হতাহত শ্রমিকদের সবাই পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ার শাংলা জেলার বাসিন্দা।
বৃহস্পতিবার বিস্ফোরণের পরপরই বিধ্বস্ত খনিতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে বেলুচিস্তানের প্রাদেশিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (পিডিএমএ) উদ্ধারকারী দল। শুক্রবার (৩১ জুলাই) উদ্ধারকারী বাহিনীর একজন সদস্য জানান, নিখোঁজ সমস্ত শ্রমিকের খোঁজ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
একই দিনে বেলুচিস্তানের হারনাই জেলার আরেকটি কয়লাখনিতে বড় আকারের পাথরের স্তূপের ধস থেকে আরও একজন শ্রমিকের মৃত্যুর তথ্য পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
এই জোড়া দুর্ঘটনার পর বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান ও সিন্ধ প্রদেশের কয়লাখনিগুলোতে প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থার ঘাটতির কারণে প্রায়ই এমন মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে। এর আগে চলতি জুলাই মাসের শুরুর দিকে সিন্ধের থাট্টা জেলায় অন্য একটি কয়লাখনি ধসে ৪ জন শ্রমিক নিহত এবং ৫ জন গুরুতর আহত হন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন