প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ থাকায়, তার দেশে ফিরলে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হবে।
রোববার (১২ জুলাই) নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার হোস্টিং সম্পর্কিত তাকে ফেরত দেয়ার জন্য ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ করেছে। এখন বিষয়টি হচ্ছে, যদি তিনি ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকেন, তবে তার নিজে নিজে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই। সে ক্ষেত্রে, হয় প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) চুক্তির আওতায় তাকে বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে অথবা তাকে পুশব্যাক করা হবে।
এদিকে, শেখ হাসিনা (রয়টার্সে) যে দাবি করেছেন, তিনি এবং তার দলীয় নেতাকর্মীরা একত্রে এসে আত্মসমর্পণ করবেন, এই বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। কারণ, তিনি এখন তার নিয়ন্ত্রণে নেই এবং স্বাধীনভাবে চলাফেরা করছেন না। তিনি আত্মগোপনে আছেন।
চিফ প্রসিকিউটর আরও জোর দিয়ে বলেন, আমাদের কাছে মনে হচ্ছে, তার বক্তব্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশে তার নেতাকর্মীদের কিছুটা উজ্জীবিত রাখা বা একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা।
শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ সংক্রান্ত আপিল বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইনের সেকশন ২১ এর ৩ বিশদ বর্ণনা করছে যে, ৩০ দিনের পরে আর কোনো আপিল করা যাবে না। যদি শেখ হাসিনাকে কোনোভাবে বাংলাদেশে আনা হয় অথবা বাংলাদেশে পাওয়া যায়, তাহলে মৃত্যুদণ্ডাদেশ থাকার কারণে, তিনি প্রথমত জেলে যাচ্ছেন। জেলে যাওয়ার পর দেখা যাবে, তিনি আপিল করতে পারবেন কিনা। যদি আপিল করার সুযোগ না থেকে যায়, তাহলে সাজাবহাল থাকবে। আর যদি আপিল করা যায়, তাহলে আপিল নিষ্পত্তির পর যা হবে, তাও হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন