প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ইয়ংস্টাউনে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধান খোঁজার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে আসা চ্যালেঞ্জের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করতে গিয়ে ওয়াশিংটন সম্ভবত ‘মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে’ বলে মনে হচ্ছে।
ট্রাম্প এই সময় স্বীকার করেন যে, ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের হত্যা করার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ইয়ংস্টাউনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘নেতাদের (ইরানের) লক্ষ্যবস্তু করতে গিয়ে আমরা হয়ত মাত্রা ছাড়িয়ে গেছি। কারণ, এখন আর আমরা জানি না, কার সঙ্গে আলোচনা করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের প্রেসিডেন্ট হতে কেউ চায় না।’ সম্ভাব্য প্রার্থীরা এই পদ গ্রহণে রাজি নন বলেও তিনি দাবি করেন।
সমাবেশে ট্রাম্প আরও জানান, ‘সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকতায় এক নম্বর দেশ’ ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেয়া হবে না।
ইরানের নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিচালিত অভিযানের ফলে আলোচনা জটিল হয়ে পড়েছে বলে তিনি স্বীকার করলেও ট্রাম্প আবারও দাবি করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান দেশটির বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনী কার্যত ধ্বংস করে দিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের ১৫৯টি নৌযান সবগুলোই ধ্বংস হয়েছে। এগুলো ‘সমুদ্রের তলদেশে সুন্দরভাবে বিশ্রাম নিচ্ছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের উদ্বেগের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেছিলেন, ইরানের নেতৃত্বের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ওয়াশিংটন এখনো নিশ্চিত নয়।
ভ্যান্স জোর দিয়ে বলেন, সংঘাতের সমাপ্তি ঘটাতে যেকোনো চুক্তির জন্য তেহরানকে তাদের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে হবে।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন