প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) থেকে ইরানে টানা দুই সপ্তাহ ধরে সব ধরনের সামরিক হামলা স্থগিত রাখার পর যুক্তরাষ্ট্র এবার মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ ইরাকে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে লক্ষ্য করে এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব।
এই হামলায় অন্তত ২০ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩২ জন বলে জানা গেছে। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে দেশটির আধা-সামরিক বাহিনী পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের (পিএমএফ) বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
পিএমএফ জানিয়েছে, হতাহতের এই তথ্য প্রাথমিক হিসাব। অনুসন্ধান কার্য পরিচালনা শেষে মনে করা হচ্ছে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, রাজধানী বাগদাদ, ওয়াসিত, নিনেভেহ, বসরা, কিরকুক, কারবালা ও দিয়ালা—ইরাকের এই সাতটি প্রদেশে তাদের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে একযোগে এই হামলা চালানো হয়েছে।
ইরাকের ভূখণ্ডে নতুন করে এই বড় ধরনের বিমান হামলার পর উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য জরুরি বৈঠক ডেকেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি।
অন্যদিকে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেনটকম) যৌথ হামলার বিষয়টি জনিয়ে বলেছে যে, তারা ও সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার উপযুক্ত জবাব দিতেই এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও দাবি করেছে, নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড রক্ষায় আত্মরক্ষার অধিকার হিসেবেই এই হামলায় অংশগ্রহণ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন